ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসার বাথরুম থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাদ্রাসার বাথরুম থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর রামপুরায় একটি মাদ্রাসার বাথরুম থেকে আব্দুল্লাহ (১০) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা, শিশুটি বলাৎকারের শিকার হওয়ার পর আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে বনশ্রী সি ব্লকে অবস্থিত ‘আলোকিত কোরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

আজ বুধবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মাদ্রাসার বাথরুম থেকে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা মনে হলেও, শিশুটির শরীরে অস্বাভাবিক আলামত দেখা গেছে। তার পায়ুপথ অস্বাভাবিক ফাঁকা থাকায় ধারণা করা হচ্ছে সে বলাৎকারের শিকার হয়েছিল এবং এর পরেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ইতোমধ্যেই নিহতের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নিহত আব্দুল্লাহর বাবা আবুল কালাম আজাদ একজন প্রবাসী। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাবার সাথে যোগাযোগ করেছে।

জানা গেছে, নিহত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা। সে বনশ্রীর ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের আবাসিক ছাত্র ছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসার বাথরুম থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

রাজধানীর রামপুরায় একটি মাদ্রাসার বাথরুম থেকে আব্দুল্লাহ (১০) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা, শিশুটি বলাৎকারের শিকার হওয়ার পর আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে বনশ্রী সি ব্লকে অবস্থিত ‘আলোকিত কোরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

আজ বুধবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মাদ্রাসার বাথরুম থেকে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা মনে হলেও, শিশুটির শরীরে অস্বাভাবিক আলামত দেখা গেছে। তার পায়ুপথ অস্বাভাবিক ফাঁকা থাকায় ধারণা করা হচ্ছে সে বলাৎকারের শিকার হয়েছিল এবং এর পরেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ইতোমধ্যেই নিহতের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নিহত আব্দুল্লাহর বাবা আবুল কালাম আজাদ একজন প্রবাসী। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাবার সাথে যোগাযোগ করেছে।

জানা গেছে, নিহত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা। সে বনশ্রীর ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের আবাসিক ছাত্র ছিল।