ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলী খামেনির শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল

আলী খামেনির শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল

সাবেক এ সর্বোচ্চ নেতার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয় গতকাল শুক্রবার। আগামী সোমবার শোকযাত্রার আগ পর্যন্ত এখানেই থাকবেন তিনি। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে অবস্থান নিতে শুরু করেন। আজ সকাল ৬টায় মূল ফটক খুলে দেয়া হলে জনস্রোত মোসাল্লা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার বাইরে জড়ো হয়েছে অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় সময় আজ সকাল ৬টায় কমপ্লেক্সটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। তার আগেই ভোর থেকে সেখানে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।

সাবেক এ সর্বোচ্চ নেতার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয় গতকাল শুক্রবার। আগামী সোমবার শোকযাত্রার আগ পর্যন্ত এখানেই থাকবেন তিনি। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে অবস্থান নিতে শুরু করেন। আজ সকাল ৬টায় মূল ফটক খুলে দেয়া হলে জনস্রোত মোসাল্লা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রায় ছয় দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত শতাব্দীর সেরা বিদায়ের এ আয়োজনে ১২ থেকে ২০ মিলিয়ন (১ কোটি ২০ লাখ থেকে ২ কোটি) মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিপুল জনসমাগমের এ আয়োজন ঘিরে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে ইরান সরকার। বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আকাশপথ বন্ধ রাখার কথাও রয়েছে। বলা হচ্ছে, ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পূর্বসুরি ও ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার পর ইরানে এটাই সবচেয়ে বড় জনসমাগম হতে চলেছে। খোমেনির শোক ও দাফন অনুষ্ঠানে প্রায় এক কোটি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।

তেহরান ২
গতকাল গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো আলী খামেনির কফিনটি কাঁধে করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। বিশাল এ ধর্মীয় কমপ্লেক্সে কফিনটি স্থাপনের পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ এবং আফগান তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। এছাড়া ইরাক, আর্মেনিয়া, তুরস্ক এবং সৌদি আরব, কাতার ও ওমানসহ বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের প্রতিনিধিদলও এতে অংশ নিতে তেহরান পৌঁছেছে।

আজ শনিবার থেকে তেহরানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এ আয়োজনের সার্বিক দায়িত্বে রয়েছে ‘মোহাম্মদ রাসুলুল্লাহ কর্পস’। বাহিনীর কমান্ডার হাসান হাসানজাদেহ জানান, খামেনির কফিনটি একটি উঁচু মঞ্চে প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং দর্শনার্থীদের সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির মরদেহের পাশাপাশি গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মরদেহও রাখা হয়েছে।

দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিদায় অনুষ্ঠান ঘিরে তেহরানের সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলো সোমবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কারণে শহরের কেন্দ্রস্থলের বেশিরভাগ রাস্তায় ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া তেহরানের আকাশসীমা সোমবার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আলী খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে আগামীকাল রোববার পর্যন্ত। পরদিন সোমবার অনুষ্ঠিত হবে শোকযাত্রা। পরদিন মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে তেহরানের দক্ষিণের কোম শহরে। সেখানে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান জামকারান মসজিদে জানাজার নামাজে ইমামতি করবেন শিয়াদের জ্যেষ্ঠ আলেম।

বুধবার খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফে নেয়া হবে। এরপর কারবালায় ইসলামের খলিফা আলীর (যাকে শিয়া মুসলিমরা তাদের প্রথম ইমাম হিসেবে মানেন) সমাধিস্থলে আনুষ্ঠানিকতা পালন করে মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। এরপর আগামী বৃহস্পতিবার আলী খামেনির নিজ শহর মাশহাদে শিয়াদের অষ্টম ইমামের সমাধিস্থল এবং ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান ইমাম রেজার সমাধিস্থলে তাকে সমাহিত করা হবে। এরপর সারা দেশে আরও ৪০ দিন শোকানুষ্ঠান চলবে। দাফনের প্রথম বার্ষিকী পর্যন্ত বিভিন্ন স্মরণসভা ও কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে।

আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ছেলে মোজতবা খামেনি। সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি এখনো জনসমক্ষে আসেননি। বাবার শেষ বিদায়ের এ বিশাল আয়োজনে মোজতবা নিজে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা নিয়ে নানামুখী প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার উপস্থিতির বিষয়টি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকে পরে ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে, শিয়া ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত এ জানাজার নামাজে শেষ পর্যন্ত কে ইমামতি করবেন, তা নিয়েও কৌতুহল রয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমি যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম…’

আলী খামেনির শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল

আপডেট সময় : ১২:২১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

সাবেক এ সর্বোচ্চ নেতার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয় গতকাল শুক্রবার। আগামী সোমবার শোকযাত্রার আগ পর্যন্ত এখানেই থাকবেন তিনি। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে অবস্থান নিতে শুরু করেন। আজ সকাল ৬টায় মূল ফটক খুলে দেয়া হলে জনস্রোত মোসাল্লা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার বাইরে জড়ো হয়েছে অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় সময় আজ সকাল ৬টায় কমপ্লেক্সটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। তার আগেই ভোর থেকে সেখানে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।

সাবেক এ সর্বোচ্চ নেতার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয় গতকাল শুক্রবার। আগামী সোমবার শোকযাত্রার আগ পর্যন্ত এখানেই থাকবেন তিনি। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে অবস্থান নিতে শুরু করেন। আজ সকাল ৬টায় মূল ফটক খুলে দেয়া হলে জনস্রোত মোসাল্লা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রায় ছয় দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত শতাব্দীর সেরা বিদায়ের এ আয়োজনে ১২ থেকে ২০ মিলিয়ন (১ কোটি ২০ লাখ থেকে ২ কোটি) মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিপুল জনসমাগমের এ আয়োজন ঘিরে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে ইরান সরকার। বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আকাশপথ বন্ধ রাখার কথাও রয়েছে। বলা হচ্ছে, ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পূর্বসুরি ও ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার পর ইরানে এটাই সবচেয়ে বড় জনসমাগম হতে চলেছে। খোমেনির শোক ও দাফন অনুষ্ঠানে প্রায় এক কোটি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।

তেহরান ২
গতকাল গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো আলী খামেনির কফিনটি কাঁধে করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। বিশাল এ ধর্মীয় কমপ্লেক্সে কফিনটি স্থাপনের পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ এবং আফগান তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। এছাড়া ইরাক, আর্মেনিয়া, তুরস্ক এবং সৌদি আরব, কাতার ও ওমানসহ বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের প্রতিনিধিদলও এতে অংশ নিতে তেহরান পৌঁছেছে।

আজ শনিবার থেকে তেহরানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এ আয়োজনের সার্বিক দায়িত্বে রয়েছে ‘মোহাম্মদ রাসুলুল্লাহ কর্পস’। বাহিনীর কমান্ডার হাসান হাসানজাদেহ জানান, খামেনির কফিনটি একটি উঁচু মঞ্চে প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং দর্শনার্থীদের সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির মরদেহের পাশাপাশি গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মরদেহও রাখা হয়েছে।

দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিদায় অনুষ্ঠান ঘিরে তেহরানের সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলো সোমবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কারণে শহরের কেন্দ্রস্থলের বেশিরভাগ রাস্তায় ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া তেহরানের আকাশসীমা সোমবার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আলী খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে আগামীকাল রোববার পর্যন্ত। পরদিন সোমবার অনুষ্ঠিত হবে শোকযাত্রা। পরদিন মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে তেহরানের দক্ষিণের কোম শহরে। সেখানে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান জামকারান মসজিদে জানাজার নামাজে ইমামতি করবেন শিয়াদের জ্যেষ্ঠ আলেম।

বুধবার খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফে নেয়া হবে। এরপর কারবালায় ইসলামের খলিফা আলীর (যাকে শিয়া মুসলিমরা তাদের প্রথম ইমাম হিসেবে মানেন) সমাধিস্থলে আনুষ্ঠানিকতা পালন করে মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। এরপর আগামী বৃহস্পতিবার আলী খামেনির নিজ শহর মাশহাদে শিয়াদের অষ্টম ইমামের সমাধিস্থল এবং ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান ইমাম রেজার সমাধিস্থলে তাকে সমাহিত করা হবে। এরপর সারা দেশে আরও ৪০ দিন শোকানুষ্ঠান চলবে। দাফনের প্রথম বার্ষিকী পর্যন্ত বিভিন্ন স্মরণসভা ও কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে।

আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ছেলে মোজতবা খামেনি। সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি এখনো জনসমক্ষে আসেননি। বাবার শেষ বিদায়ের এ বিশাল আয়োজনে মোজতবা নিজে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা নিয়ে নানামুখী প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার উপস্থিতির বিষয়টি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকে পরে ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে, শিয়া ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত এ জানাজার নামাজে শেষ পর্যন্ত কে ইমামতি করবেন, তা নিয়েও কৌতুহল রয়ে গেছে।