ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে বিপৎসীমার ওপরে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা

হবিগঞ্জে বিপৎসীমার ওপরে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা

টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জ জেলার নদ-নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরমধ্যে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই নদীর গেট খুলে দেওয়ায় জেলায় এই নদীতে পানির প্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে নদীর তীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা এবং আতংক দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় খোয়াই নদীর পানি বাল্লা পয়েন্টে বিপদসীমার ২২০ সেমি, শায়েস্তাগঞ্জে ৯৯ সেমি, ও হবিগঞ্জের মাছুলিয়ায় ১১৫ সেমি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, জেলার প্রায় সব নদীতেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক অবস্থা খোয়াই নদীর বাল্লা সীমান্ত পয়েন্টে। উভয় স্টেশনেই পানি দ্রুত বাড়ছে। এছাড়া ধলেশ্বরী, সুতাং, সোনাই, করাঙ্গী, জানিখাল, জিয়ারখলাসহ অন্যান্য নদী খাল ছড়ায় পানি বেড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান বলেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এবং দেশের অভ্যন্তরে গত দুই দিন ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারতের খোয়াই নদীর চাকমা গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়। কালনী-কুশিয়ারার পানিও একদিন আগেই বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে জেলার প্রায় সব নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, খোয়াই নদীর পানি এভাবে বাড়তে থাকলে হবিগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। যে কোনো সময় বাঁধের দুর্বল স্থানে ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে শঙ্কা বাড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বসবাসের অযোগ্য’ তালিকা থেকে ঢাকাকে বের করে আনা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

হবিগঞ্জে বিপৎসীমার ওপরে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা

আপডেট সময় : ০১:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জ জেলার নদ-নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরমধ্যে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই নদীর গেট খুলে দেওয়ায় জেলায় এই নদীতে পানির প্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে নদীর তীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা এবং আতংক দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় খোয়াই নদীর পানি বাল্লা পয়েন্টে বিপদসীমার ২২০ সেমি, শায়েস্তাগঞ্জে ৯৯ সেমি, ও হবিগঞ্জের মাছুলিয়ায় ১১৫ সেমি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, জেলার প্রায় সব নদীতেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক অবস্থা খোয়াই নদীর বাল্লা সীমান্ত পয়েন্টে। উভয় স্টেশনেই পানি দ্রুত বাড়ছে। এছাড়া ধলেশ্বরী, সুতাং, সোনাই, করাঙ্গী, জানিখাল, জিয়ারখলাসহ অন্যান্য নদী খাল ছড়ায় পানি বেড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান বলেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এবং দেশের অভ্যন্তরে গত দুই দিন ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারতের খোয়াই নদীর চাকমা গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়। কালনী-কুশিয়ারার পানিও একদিন আগেই বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে জেলার প্রায় সব নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, খোয়াই নদীর পানি এভাবে বাড়তে থাকলে হবিগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। যে কোনো সময় বাঁধের দুর্বল স্থানে ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে শঙ্কা বাড়ছে।