ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজী মারুফ আহমেদের জানাজায় জনতার ঢল

ইফতেখার মোঃ নাবিল, সিলেট থেকে: মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য গাজী মারুফ আহমেদের জানাজার নামাজ তার নিজ গ্রামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটায়।
জানাজায় অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গৌছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় সদস্য ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন, সাবেক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিজানসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
গাজী মারুফ আহমেদ গত সোমবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে শহরের লাইফ লাইন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও রাজনৈতিক হয়রানি মোকাবিলা করেছেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তাকে একাধিক মামলার গ্লানি বইতে হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছোট সন্তান, আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
গাজী মারুফ আহমেদের মৃত্যুতে জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার বিনয়ী ও সদালাপী ব্যক্তিত্ব রাজনৈতিক সহকর্মীদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজী মারুফ আহমেদের জানাজায় জনতার ঢল

আপডেট সময় : ১১:৫১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

ইফতেখার মোঃ নাবিল, সিলেট থেকে: মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য গাজী মারুফ আহমেদের জানাজার নামাজ তার নিজ গ্রামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটায়।
জানাজায় অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গৌছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় সদস্য ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন, সাবেক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিজানসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
গাজী মারুফ আহমেদ গত সোমবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে শহরের লাইফ লাইন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও রাজনৈতিক হয়রানি মোকাবিলা করেছেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তাকে একাধিক মামলার গ্লানি বইতে হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছোট সন্তান, আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
গাজী মারুফ আহমেদের মৃত্যুতে জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার বিনয়ী ও সদালাপী ব্যক্তিত্ব রাজনৈতিক সহকর্মীদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।