ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেড় বছরের শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

রংপুরে দেড় বছর বয়সী শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর এক মা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরীর ২৮নং ওয়ার্ডের সাজাপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন- সূচনা ঘোষ (৪০) ও তার শিশু সন্তান জয়দেব ঘোষ। সূচনা ঘোষের স্বামী শংকর ঘোষের (৪৫) একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মুদি দোকানদার।

পুলিশ জানায়, সূচনা ঘোষ তার দেড় বছরের ছেলে জয়দেব ঘোষকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে নিজে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি জানালার ফাঁক দিয়ে প্রথমে দেখতে পায় তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে পুষ্পিতা ঘোষ।

পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

স্বামী শঙ্কর ঘোষ জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাকে এ বিষয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তার ধারণা, মানসিক অবসাদগ্রস্ত থেকেই ছেলেকে হত্যা করে তার স্ত্রী নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, অভাব অনটন ও পারিবারিক অশান্তিতে ছিল পরিবারটি। তবে পারিবারিক কলহ থেকে নাকি মানসিক অসুস্থতার কারণে এ ঘটনা ঘটছে তা তদন্তের পর জানা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

দেড় বছরের শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১২:০৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

রংপুরে দেড় বছর বয়সী শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর এক মা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরীর ২৮নং ওয়ার্ডের সাজাপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন- সূচনা ঘোষ (৪০) ও তার শিশু সন্তান জয়দেব ঘোষ। সূচনা ঘোষের স্বামী শংকর ঘোষের (৪৫) একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মুদি দোকানদার।

পুলিশ জানায়, সূচনা ঘোষ তার দেড় বছরের ছেলে জয়দেব ঘোষকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে নিজে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি জানালার ফাঁক দিয়ে প্রথমে দেখতে পায় তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে পুষ্পিতা ঘোষ।

পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

স্বামী শঙ্কর ঘোষ জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাকে এ বিষয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তার ধারণা, মানসিক অবসাদগ্রস্ত থেকেই ছেলেকে হত্যা করে তার স্ত্রী নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, অভাব অনটন ও পারিবারিক অশান্তিতে ছিল পরিবারটি। তবে পারিবারিক কলহ থেকে নাকি মানসিক অসুস্থতার কারণে এ ঘটনা ঘটছে তা তদন্তের পর জানা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।