ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমির সরিয়ে ফেলায় মাজারের খাদেমের ক্ষোভ, ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

কুমির সরিয়ে ফেলায় মাজারের খাদেমের ক্ষোভ, ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে থাকা একমাত্র কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারের ব্যবস্থাপনায় থাকা খাদেম। এ সময় তিনি মাজার, দিঘি ও এর চারপাশের জমি তাদের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ বলে দাবি করেন।

এর আগে ১ জুন কুমিরের আক্রমণে এক শিশুর মৃত্যুর পর প্রাণীটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর বুধবার (৩ জুন) দুপুরে প্রশাসনের সহযোগিতায় বন বিভাগ দীঘির কুমিরটি সরিয়ে নেয়। এখন প্রাণীটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে রয়েছে।

এ বিষয়ে মাজারের প্রধান খাদেম ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খান জাহান আলীর মাজার ও এই দিঘি সাড়ে ৫০০ বছর ধরে আমাদের পরিবার ও আমরা দেখভাল করে আসছি। হ্যাঁ, আমাদের ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে। এটা (কুমির) বাগেরহাটের মানুষের সম্পদ। এই কুমির অনতিবিলম্বে ফেরত দেওয়া হোক। দুর্ঘটনা যেকোনো জায়গায় হতে পারে। তাই বলে কুমিরটি নিয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাগেরহাট থানায় যদি কোনো লোক মারা যায় তাহলে কি ওসির চাকরি চলে যাবে? থানা বন্ধ করে দিতে হবে? এমন কোনো নিয়ম আছে নাকি? জজ কোর্টের ভেতরে চারজন লোককে গুলি করে মেরে ফেলছে। জজ সাহেব কি আদালত বন্ধ করে দেবে? একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, একটি মেয়েকে কুমিরে নিয়ে গেছে, মেয়েটি মারা গেছে। এ নিয়ে হঠাৎ করে জেলা প্রশাসক রাতে তার দপ্তরে জরুরি মিটিং ডাকে। জেলা প্রশাসকের দপ্তর রাত ৯টার সময় কিভাবে মিটিং করে। সেখানে নাকি সিদ্ধান্ত হয়েছে কুমিরকে এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। আমি ছিলাম না, খুলনায় ছিলাম। সকালে হঠাৎ পুলিশ প্রশাসন নিয়ে এসে কুমিরটিকে ধরে নিয়ে যায়।

কুমির দেখার জন্য এখানে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কুমিরকে অনতিবিলম্বে এখানে ফিরিয়ে আনা হোক। এর নিরাপত্তার জন্য যে ব্যবস্থার প্রয়োজন সেটা আমরা নিশ্চিত করব, প্রশাসনের সহযোগিতা নেব। এর আগে কুমিরে কুকুর খাওয়া নিয়ে সমস্যা হয়েছিল এটা আপনারা জানেন। আমরা ৮ জন দারোয়ান রেখেছি। তারপরও এভাবে এক দিনের মধ্যে পুলিশ দিয়ে আমাদের কুমিরটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এটা ভালো কাজ হয়নি। দুর্ঘটনা হয়েছে বলে আমরা ইতিহাস-ঐতিহ্য একেবারে নষ্ট করে দেব এটা তো ঠিক না।

মাজারে ঘুরতে আসা শেখ বাদশা বলেন, কুমির মাজারের একটি ঐতিহ্য। কুমির না থাকলে ঐহিত্য থাকবে না। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক করে কুমির এখানে রাখা উচিত। দিঘিতে কুমির নেই- এটা শুনতেও ভালো লাগবে না।

তিনি আরও বলেন, এই কুমিরটিকে কিছু খাওয়ানো হয় কিনা আমি জানি না। যতদিন এসেছি শুধু দেখেছি দিঘির পানিতে মুরগি, হাঁস ভিজিয়ে উঠিয়ে নিয়ে আবার কোথায় যেন নিয়ে যায়। এভাবে কুমির সংরক্ষণ করা সম্ভব না। সরকারিভাবে এটি সংরক্ষণ করা উচিত।

তবে নিরাপত্তার জন্য কুমির সরিয়ে নেওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। মাজারের পাশে বসবাস করা এক বাসিন্দা কুলসুম বেগম বলেন, খানজাহান আমলের কুমিরগুলো ভালো ছিল। এখন যে কুমির রয়েছে তা অনেক হিংস্র। এর ভয়ে আমরা দীঘিতে নামতে পারি না।

এদিন সকালে মোল্লাহাট থেকে পরিবার নিয়ে মাজারে আসা শাহিদা বেগম বলেন, আমার নাতি-নাতনি নিয়ে আসছি। আজ আমার পরিবারের কারো সঙ্গে যদি এমন হতো। কুমিরকে আপাতত সরিয়ে নেওয়া ঠিক আছে। তবে এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে কুমিরটিকে উন্মুক্ত করা হোক।

অনেক দর্শনার্থীর চাওয়া এখানে একটি নিরাপদ বেষ্টনি তৈরি করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কুমির রাখার ব্যবস্থা করা হোক।

খুলনা থেকে আসা আসরাফুল ইসলাম বলেন, কুমির না থাকলে দিঘিটি হয়তো মাছ চাষের জন্য দখল হয়ে যাবে। গত এক বছর আগে যখন আমি এসেছিলাম তখন দেখেছিলাম অনেক মাছ। কিন্তু এবার এসে দেখছি কিছুই নেই। তাহলে মাছগুলো কোথায় গেল? কুমির থাকা অবস্থায় মাছ উঠিয়ে নিয়েছে আর এখন তো কুমির নেই। নিরাপত্তার স্বার্থে এখানে আবার কুমির ফিরিয়ে আনা উচিত। পুরো মাজারের দায়িত্ব সরকারের নেওয়া উচিত। এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী আসেন। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে।

কুমির প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, দিঘিটি প্রায় কয়েকশ একর জায়গাজুড়ে। সবাই আন্তরিক হলে খানজাহান (রহ.) মাজার দিঘিতে মিষ্টি পানির কুমিরের প্রজনন এবং টিকিয়ে রাখা সম্ভব। সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী ও সুন্দরবনে এখন আমরা কুমির থেকে বাচ্চা ফোটাচ্ছি। প্রশাসন যদি কঠোর হয়, বাইরের যদি কোনো হস্তক্ষেপ না থাকে তবে ওই দিঘির এক পাড়ে একটি কুমির প্রজনন কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন নদ-নদী থেকে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কুমির উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

মাজার থেকে সরিয়ে কুমিরটি খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাণীটি সুস্থ আছে জানিয়ে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল বলেন, মিঠামানির কুমিরকে নিয়ে নোনাপানির সুন্দরবনে ছাড়া হলে একটি বাঁচবে না। তাই সেটা করা হবে না। আমরা চেষ্টা করি, প্রাণী যে পরিবেশে অভ্যস্ত সেই পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুমিরটি কোথায় ছাড়া হবে তা নির্ধারণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

কুমির সরিয়ে ফেলায় মাজারের খাদেমের ক্ষোভ, ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে থাকা একমাত্র কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারের ব্যবস্থাপনায় থাকা খাদেম। এ সময় তিনি মাজার, দিঘি ও এর চারপাশের জমি তাদের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ বলে দাবি করেন।

এর আগে ১ জুন কুমিরের আক্রমণে এক শিশুর মৃত্যুর পর প্রাণীটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর বুধবার (৩ জুন) দুপুরে প্রশাসনের সহযোগিতায় বন বিভাগ দীঘির কুমিরটি সরিয়ে নেয়। এখন প্রাণীটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে রয়েছে।

এ বিষয়ে মাজারের প্রধান খাদেম ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খান জাহান আলীর মাজার ও এই দিঘি সাড়ে ৫০০ বছর ধরে আমাদের পরিবার ও আমরা দেখভাল করে আসছি। হ্যাঁ, আমাদের ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে। এটা (কুমির) বাগেরহাটের মানুষের সম্পদ। এই কুমির অনতিবিলম্বে ফেরত দেওয়া হোক। দুর্ঘটনা যেকোনো জায়গায় হতে পারে। তাই বলে কুমিরটি নিয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাগেরহাট থানায় যদি কোনো লোক মারা যায় তাহলে কি ওসির চাকরি চলে যাবে? থানা বন্ধ করে দিতে হবে? এমন কোনো নিয়ম আছে নাকি? জজ কোর্টের ভেতরে চারজন লোককে গুলি করে মেরে ফেলছে। জজ সাহেব কি আদালত বন্ধ করে দেবে? একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, একটি মেয়েকে কুমিরে নিয়ে গেছে, মেয়েটি মারা গেছে। এ নিয়ে হঠাৎ করে জেলা প্রশাসক রাতে তার দপ্তরে জরুরি মিটিং ডাকে। জেলা প্রশাসকের দপ্তর রাত ৯টার সময় কিভাবে মিটিং করে। সেখানে নাকি সিদ্ধান্ত হয়েছে কুমিরকে এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। আমি ছিলাম না, খুলনায় ছিলাম। সকালে হঠাৎ পুলিশ প্রশাসন নিয়ে এসে কুমিরটিকে ধরে নিয়ে যায়।

কুমির দেখার জন্য এখানে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কুমিরকে অনতিবিলম্বে এখানে ফিরিয়ে আনা হোক। এর নিরাপত্তার জন্য যে ব্যবস্থার প্রয়োজন সেটা আমরা নিশ্চিত করব, প্রশাসনের সহযোগিতা নেব। এর আগে কুমিরে কুকুর খাওয়া নিয়ে সমস্যা হয়েছিল এটা আপনারা জানেন। আমরা ৮ জন দারোয়ান রেখেছি। তারপরও এভাবে এক দিনের মধ্যে পুলিশ দিয়ে আমাদের কুমিরটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এটা ভালো কাজ হয়নি। দুর্ঘটনা হয়েছে বলে আমরা ইতিহাস-ঐতিহ্য একেবারে নষ্ট করে দেব এটা তো ঠিক না।

মাজারে ঘুরতে আসা শেখ বাদশা বলেন, কুমির মাজারের একটি ঐতিহ্য। কুমির না থাকলে ঐহিত্য থাকবে না। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক করে কুমির এখানে রাখা উচিত। দিঘিতে কুমির নেই- এটা শুনতেও ভালো লাগবে না।

তিনি আরও বলেন, এই কুমিরটিকে কিছু খাওয়ানো হয় কিনা আমি জানি না। যতদিন এসেছি শুধু দেখেছি দিঘির পানিতে মুরগি, হাঁস ভিজিয়ে উঠিয়ে নিয়ে আবার কোথায় যেন নিয়ে যায়। এভাবে কুমির সংরক্ষণ করা সম্ভব না। সরকারিভাবে এটি সংরক্ষণ করা উচিত।

তবে নিরাপত্তার জন্য কুমির সরিয়ে নেওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। মাজারের পাশে বসবাস করা এক বাসিন্দা কুলসুম বেগম বলেন, খানজাহান আমলের কুমিরগুলো ভালো ছিল। এখন যে কুমির রয়েছে তা অনেক হিংস্র। এর ভয়ে আমরা দীঘিতে নামতে পারি না।

এদিন সকালে মোল্লাহাট থেকে পরিবার নিয়ে মাজারে আসা শাহিদা বেগম বলেন, আমার নাতি-নাতনি নিয়ে আসছি। আজ আমার পরিবারের কারো সঙ্গে যদি এমন হতো। কুমিরকে আপাতত সরিয়ে নেওয়া ঠিক আছে। তবে এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে কুমিরটিকে উন্মুক্ত করা হোক।

অনেক দর্শনার্থীর চাওয়া এখানে একটি নিরাপদ বেষ্টনি তৈরি করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কুমির রাখার ব্যবস্থা করা হোক।

খুলনা থেকে আসা আসরাফুল ইসলাম বলেন, কুমির না থাকলে দিঘিটি হয়তো মাছ চাষের জন্য দখল হয়ে যাবে। গত এক বছর আগে যখন আমি এসেছিলাম তখন দেখেছিলাম অনেক মাছ। কিন্তু এবার এসে দেখছি কিছুই নেই। তাহলে মাছগুলো কোথায় গেল? কুমির থাকা অবস্থায় মাছ উঠিয়ে নিয়েছে আর এখন তো কুমির নেই। নিরাপত্তার স্বার্থে এখানে আবার কুমির ফিরিয়ে আনা উচিত। পুরো মাজারের দায়িত্ব সরকারের নেওয়া উচিত। এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী আসেন। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে।

কুমির প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, দিঘিটি প্রায় কয়েকশ একর জায়গাজুড়ে। সবাই আন্তরিক হলে খানজাহান (রহ.) মাজার দিঘিতে মিষ্টি পানির কুমিরের প্রজনন এবং টিকিয়ে রাখা সম্ভব। সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী ও সুন্দরবনে এখন আমরা কুমির থেকে বাচ্চা ফোটাচ্ছি। প্রশাসন যদি কঠোর হয়, বাইরের যদি কোনো হস্তক্ষেপ না থাকে তবে ওই দিঘির এক পাড়ে একটি কুমির প্রজনন কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন নদ-নদী থেকে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কুমির উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

মাজার থেকে সরিয়ে কুমিরটি খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাণীটি সুস্থ আছে জানিয়ে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল বলেন, মিঠামানির কুমিরকে নিয়ে নোনাপানির সুন্দরবনে ছাড়া হলে একটি বাঁচবে না। তাই সেটা করা হবে না। আমরা চেষ্টা করি, প্রাণী যে পরিবেশে অভ্যস্ত সেই পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুমিরটি কোথায় ছাড়া হবে তা নির্ধারণ করা হবে।