ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরপিন টিলায় দেড় মাসে ৭ জনের মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরপিন টিলা ধসে বৃহস্পতিবার রাতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ইয়াকুব আলী (২২) স্থানীয় নারাইনপুর গ্রামের রজব আলীর পুত্র।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলতাফ হোসেন জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থানীয় আব্দুল হান্নানের গর্ত থেকে নিজের ট্রাক্টরে পাথরবোঝাইকালে আকষ্মিক গর্তের নিচে চাপা পড়েন ইয়াকুব। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় রাত আটটার দিকে সে মারা যায়।

খবর পেয়ে তিনি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্মকর্তা নিহতের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। এব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওসি।

উল্লেখ্য, এ নিয়ে আরপিন টিলায় দেড় মাসে ৭ জনের মৃত্যু হল। গত ২৩ জানুয়ারি টিলা সংলগ্ন মাটিয়া টিলার আঞ্জু মিয়ার গর্ত ধসে ৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার নিহত ইয়াকুব তার ভাতিজা। ইয়াকুবেরও পাথরের ব্যবসা রয়েছে।

এদিকে, ২৩ জানুয়ারির ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ৪৭ ভূমিখেকোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া তৎকালীন সময়ের দায়িত্বরত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলী এবং ওসির গাফিলতির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছিল। ঠিক দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ফের ১১ ফেব্রুয়ারি সেখানে আরও এক শ্রমিক মারা যান। এ ঘটনায় পর ওসিকে প্রত্যাহার এবং ইউএনওকে বদলী করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস

কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরপিন টিলায় দেড় মাসে ৭ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০১:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০১৭

ডেস্ক রিপোর্ট:: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরপিন টিলা ধসে বৃহস্পতিবার রাতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ইয়াকুব আলী (২২) স্থানীয় নারাইনপুর গ্রামের রজব আলীর পুত্র।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলতাফ হোসেন জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থানীয় আব্দুল হান্নানের গর্ত থেকে নিজের ট্রাক্টরে পাথরবোঝাইকালে আকষ্মিক গর্তের নিচে চাপা পড়েন ইয়াকুব। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় রাত আটটার দিকে সে মারা যায়।

খবর পেয়ে তিনি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্মকর্তা নিহতের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। এব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওসি।

উল্লেখ্য, এ নিয়ে আরপিন টিলায় দেড় মাসে ৭ জনের মৃত্যু হল। গত ২৩ জানুয়ারি টিলা সংলগ্ন মাটিয়া টিলার আঞ্জু মিয়ার গর্ত ধসে ৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার নিহত ইয়াকুব তার ভাতিজা। ইয়াকুবেরও পাথরের ব্যবসা রয়েছে।

এদিকে, ২৩ জানুয়ারির ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ৪৭ ভূমিখেকোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া তৎকালীন সময়ের দায়িত্বরত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলী এবং ওসির গাফিলতির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছিল। ঠিক দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ফের ১১ ফেব্রুয়ারি সেখানে আরও এক শ্রমিক মারা যান। এ ঘটনায় পর ওসিকে প্রত্যাহার এবং ইউএনওকে বদলী করা হয়েছে।