ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেমরায় নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু



ফটোকার্ড ডাউনলোড

রাজধানীর ডেমরা এলাকার নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ঢালাইয়ের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. শামীম (১৮) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর একটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শামীমের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাঁশবুনিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত সান্টু মাতবর। বর্তমানে তিনি ওই নির্মাণাধীন ভবনেই থাকতেন।

নিহতের সহকর্মী বাবু জানান, আজ সকালের দিকে ডেমরা এলাকার একটি বাসার নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ঢালাইয়ের কাজ করছিলাম। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎ স্পর্শে শামীম অচেতন হয়ে পড়েন। পরে আমরা দ্রুততাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান শামীম আর বেঁচে নেই।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করেছি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

একাধিক অভিনেতার সঙ্গে সম্পর্ক সুরভি জ্যোতির, যা বললেন অভিনেত্রী

ডেমরায় নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৩:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

রাজধানীর ডেমরা এলাকার নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ঢালাইয়ের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. শামীম (১৮) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর একটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শামীমের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাঁশবুনিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত সান্টু মাতবর। বর্তমানে তিনি ওই নির্মাণাধীন ভবনেই থাকতেন।

নিহতের সহকর্মী বাবু জানান, আজ সকালের দিকে ডেমরা এলাকার একটি বাসার নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ঢালাইয়ের কাজ করছিলাম। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎ স্পর্শে শামীম অচেতন হয়ে পড়েন। পরে আমরা দ্রুততাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান শামীম আর বেঁচে নেই।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করেছি।