ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনস্বার্থ মাথায় রেখেই এনসিটি নিয়ে সিদ্ধান্ত

নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে সরকার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করছে। তবে সরকার রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। গতকাল শনিবার নগরীর সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের (এনএমআই) এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে নৌমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার রাষ্ট্র এবং জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করছে, প্রাধান্য দেবে। যে অবস্থায় ছিল, সেই অবস্থায় এখনও আছে। আমরা এটার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করছি। আমাদের স্বার্থ কীভাবে রক্ষা হবে। আমাদের বন্দরের নিরাপত্তাটা কীভাবে থাকবে। টেকনোলজি যেটা আমাদের ‘অ্যাচিভ’ করা দরকার, সেটা আমরা কীভাবে অ্যাচিভ করতে পারি, বন্দর ব্যবস্থাপনায়। মনে রাখবেন যাই করা হবে, বাংলাদেশ

জাতীয়তাবাদী দলের সরকার ‘ব্রুট মেজরিটি’ নিয়ে জনগণের আস্থা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। দেশ এবং জনগণের স্বার্থ ধারণ করেই সিদ্ধান্ত নেবে।

এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। ৫ আগস্ট পরবর্তী গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই চুক্তি এগিয়ে নেয়। সেটিকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুরু করেন বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের চার দিন আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে চলমান বড় প্রকল্প পরিদর্শনে এসেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, বন্দর ব্যবস্থাপনা ভালোভাবে চলছে। তবে আরও কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। আরও কীভাবে বন্দরকে কার্যকর করা যায়। এখানে সীমান্ত সড়ক আছে বান্দরবানে। সেটাও দেখে যেতে চাই। প্রকল্পগুলো যাতে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হয় এবং সম্ভাবনা যাতে শতভাগ কাজে লাগে সে উদ্দেশে দুই দিনে চলমান বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প পরিদর্শনে এসেছি।

জনস্বার্থ মাথায় রেখেই এনসিটি নিয়ে সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১০:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে সরকার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করছে। তবে সরকার রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। গতকাল শনিবার নগরীর সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের (এনএমআই) এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে নৌমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার রাষ্ট্র এবং জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করছে, প্রাধান্য দেবে। যে অবস্থায় ছিল, সেই অবস্থায় এখনও আছে। আমরা এটার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করছি। আমাদের স্বার্থ কীভাবে রক্ষা হবে। আমাদের বন্দরের নিরাপত্তাটা কীভাবে থাকবে। টেকনোলজি যেটা আমাদের ‘অ্যাচিভ’ করা দরকার, সেটা আমরা কীভাবে অ্যাচিভ করতে পারি, বন্দর ব্যবস্থাপনায়। মনে রাখবেন যাই করা হবে, বাংলাদেশ

জাতীয়তাবাদী দলের সরকার ‘ব্রুট মেজরিটি’ নিয়ে জনগণের আস্থা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। দেশ এবং জনগণের স্বার্থ ধারণ করেই সিদ্ধান্ত নেবে।

এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। ৫ আগস্ট পরবর্তী গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই চুক্তি এগিয়ে নেয়। সেটিকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুরু করেন বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের চার দিন আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে চলমান বড় প্রকল্প পরিদর্শনে এসেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, বন্দর ব্যবস্থাপনা ভালোভাবে চলছে। তবে আরও কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। আরও কীভাবে বন্দরকে কার্যকর করা যায়। এখানে সীমান্ত সড়ক আছে বান্দরবানে। সেটাও দেখে যেতে চাই। প্রকল্পগুলো যাতে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হয় এবং সম্ভাবনা যাতে শতভাগ কাজে লাগে সে উদ্দেশে দুই দিনে চলমান বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প পরিদর্শনে এসেছি।