দখলদার ইসরায়েলের সেনাদের বিরুদ্ধে ড্রোনে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এতে করে অপ্রত্যাশিত ও আকস্মিক হামলার মুখে পড়ছে দখলদারদের সেনারা।
ড্রোন প্রযুক্তিতে পরিবর্তন আনার বিষয়টি এখন পর্যন্ত বেশ কার্যকরী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
কী পরিবর্তন আনা হয়েছে, ইসরায়েল কেন ড্রোন আটকাতে পারছে না?
আলজাজিরা জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ তাদের ড্রোনে ব্যবহার করছে ফাইবার অপটিক। ফলে তাদের ড্রোন ইসরায়েলি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে আর কাজ করছে না। এতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এসব ড্রোন আটকাতে এবং টার্গেট করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
হিজবুল্লাহ যেসব ড্রোন ব্যবহার করছে সেগুলো বানাতে খুবই কম খরচ হয়। যদি ইসরায়েল এসব ড্রোন শনাক্ত করতে পারেও তখন এগুলো আটকাতে তাদের অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা মিসাইল ছুড়তে হচ্ছে। যেখানে এমন একটি ড্রোন কয়েক হাজার ডলারেই তৈরি করা যায়।
এই ড্রোনগুলোতে থাকা ফাইবার অপটিকগুলো কয়েক কিলোমিটার লম্বা। ফলে কোনো ইলেকট্রনিক বাধা ছাড়াই এই ড্রোন অপারেটররা অনেক দূর থেকে এগুলো চালাতে পারছেন।
আলজাজিরা আরও জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর একজন ড্রোন অপারেটর একটি টার্গেটকে লক্ষ্য করে ড্রোন উড়ান। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে থাকা দখলদার ইসরায়েলিদের ট্যাংক ও বুলডোজারকে টার্গেট করা হচ্ছে। এই ড্রোনগুলো তাদের সামরিক সরঞ্জামের ওপর গিয়ে পড়ে। যেহেতু এসব ড্রোনে বিস্ফোরক থাকে তাই সেগুলো টার্গেটে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়।
হিজবুল্লাহ আজ শনিবার (২ মে) জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের একটি দলের ওপর ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে।
যেহেতু এসব ড্রোন আটকানো যাচ্ছে না ফলে লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনারা এখন হামলার তীব্র ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছেন। প্রায় প্রতিদিনই তাদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটছে।
















