ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘যখন তিনি কাউকে মারতেন, আমার খুব খারাপ লাগত’

‘যখন তিনি কাউকে মারতেন, আমার খুব খারাপ লাগত’



ফটোকার্ড ডাউনলোড

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তার আকস্মিক প্রস্থান এখনো মেনে নিতে পারেনি দেওল পরিবার। পিতা হারানোর সেই ক্ষত বুকে নিয়েই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ধর্মেন্দ্রর রাগ, ভালোবাসা এবং পর্দার পেছনের মানুষটিকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন তার ছোট ছেলে ববি দেওল।

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে ববির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, যদি কখনো ধর্মেন্দ্রর বায়োপিক তৈরি হয়, তবে বড় ভাই সানি দেওল নাকি তিনি নিজে- কে বাবার চরিত্রটি পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন?

ববি দেওল বলেন, ‘কেউই না। বাবার মতো কেউ কোনোদিন হতে পারবে না। বাবা এমন একজন মানুষ ছিলেন, যিনি চোখের সামনে কারো প্রতি অসম্মানজনক আচরণ সহ্য করতে পারতেন না। রেগে গিয়ে কখনো কখনো হাত পর্যন্ত তুলে দিতেন।’

‘কিন্তু মজার বিষয় হলো, মারধর করার পর আবার সেই মানুষটিকে পরম যত্নে খাবার খাওয়াতেন, দুধ দিতেন, এমনকি নতুন কাপড়ও কিনে দিতেন। তিনি এমনই এক অদ্ভুত ও নরম হৃদয়ের মানুষ ছিলেন।’

পিতার সেই রাগী রূপের একটি অন্য দিকও তুলে ধরেন ববি। তার কথায়, ‘যখন তিনি কাউকে মারতেন, তখন আমার খুব খারাপ লাগত। আমি স্বভাবগতভাবে কখনোই এমন ছিলাম না। ছোটবেলা থেকেই আমি মারামারি থেকে দূরে থেকেছি। আজ পর্যন্ত আমি কখনো কাউকে মারধর করিনি।’

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে আরো ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৭৩

‘যখন তিনি কাউকে মারতেন, আমার খুব খারাপ লাগত’

আপডেট সময় : ০১:১২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তার আকস্মিক প্রস্থান এখনো মেনে নিতে পারেনি দেওল পরিবার। পিতা হারানোর সেই ক্ষত বুকে নিয়েই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ধর্মেন্দ্রর রাগ, ভালোবাসা এবং পর্দার পেছনের মানুষটিকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন তার ছোট ছেলে ববি দেওল।

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে ববির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, যদি কখনো ধর্মেন্দ্রর বায়োপিক তৈরি হয়, তবে বড় ভাই সানি দেওল নাকি তিনি নিজে- কে বাবার চরিত্রটি পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন?

ববি দেওল বলেন, ‘কেউই না। বাবার মতো কেউ কোনোদিন হতে পারবে না। বাবা এমন একজন মানুষ ছিলেন, যিনি চোখের সামনে কারো প্রতি অসম্মানজনক আচরণ সহ্য করতে পারতেন না। রেগে গিয়ে কখনো কখনো হাত পর্যন্ত তুলে দিতেন।’

‘কিন্তু মজার বিষয় হলো, মারধর করার পর আবার সেই মানুষটিকে পরম যত্নে খাবার খাওয়াতেন, দুধ দিতেন, এমনকি নতুন কাপড়ও কিনে দিতেন। তিনি এমনই এক অদ্ভুত ও নরম হৃদয়ের মানুষ ছিলেন।’

পিতার সেই রাগী রূপের একটি অন্য দিকও তুলে ধরেন ববি। তার কথায়, ‘যখন তিনি কাউকে মারতেন, তখন আমার খুব খারাপ লাগত। আমি স্বভাবগতভাবে কখনোই এমন ছিলাম না। ছোটবেলা থেকেই আমি মারামারি থেকে দূরে থেকেছি। আজ পর্যন্ত আমি কখনো কাউকে মারধর করিনি।’