ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভ্রমণ কোটায় মানি চেঞ্জারে একবারে ৩ হাজার ডলার বিক্রির সুযোগ

ভ্রমণ কোটায় মানি চেঞ্জারে একবারে ৩ হাজার ডলার বিক্রির সুযোগ

বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ কোটার বিপরীতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারগুলোর মাধ্যমে ডলার বিক্রির সীমা বাড়িয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জারি করা পরিপত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারগুলো এখন একজন বিদেশগামী নাগরিককে একবারে সর্বোচ্চ তিন হাজার মার্কিন ডলার নোট ও মুদ্রা আকারে বিক্রি করতে পারবে। এর আগে এ সীমা ছিল দুই হাজার মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন মেটাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একজন গ্রাহকের বার্ষিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ কোটার যতটুকু অবশিষ্ট থাকবে, তা সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে বিক্রি করা যাবে। তবে একবারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত নোট ও কয়েন নেওয়া যাবে। কোটার অবশিষ্ট অর্থ অন্যান্য অবাধে বিনিময়যোগ্য ও ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রাতেও নেওয়া যাবে।

নতুন ব্যবস্থায় বিদেশগামী নাগরিকদের মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে নগদ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ আরও সুবিধাজনক হবে।

উল্লেখ্য, তিন হাজার ডলারের সীমাটি বার্ষিক ভ্রমণ কোটার সীমা নয়। একজন বাংলাদেশি নাগরিক বছরে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ডলার পর্যন্ত ভ্রমণ কোটায় বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করতে পারেন। নতুন সিদ্ধান্তে শুধু লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে একবারে নগদ বৈদেশিক মুদ্রা কেনার সীমা দুই হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার ডলার করা হয়েছে। ফলে একজন ভ্রমণকারী মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে একবারে সর্বোচ্চ তিন হাজার ডলার নগদ নিতে পারবেন। তাঁর বার্ষিক ১৮ হাজার ডলারের কোটার বাকি অংশ প্রযোজ্য নিয়মে অন্যভাবে ব্যবহার করা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভ্রমণ কোটায় মানি চেঞ্জারে একবারে ৩ হাজার ডলার বিক্রির সুযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ কোটার বিপরীতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারগুলোর মাধ্যমে ডলার বিক্রির সীমা বাড়িয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জারি করা পরিপত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারগুলো এখন একজন বিদেশগামী নাগরিককে একবারে সর্বোচ্চ তিন হাজার মার্কিন ডলার নোট ও মুদ্রা আকারে বিক্রি করতে পারবে। এর আগে এ সীমা ছিল দুই হাজার মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন মেটাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একজন গ্রাহকের বার্ষিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ কোটার যতটুকু অবশিষ্ট থাকবে, তা সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে বিক্রি করা যাবে। তবে একবারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত নোট ও কয়েন নেওয়া যাবে। কোটার অবশিষ্ট অর্থ অন্যান্য অবাধে বিনিময়যোগ্য ও ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রাতেও নেওয়া যাবে।

নতুন ব্যবস্থায় বিদেশগামী নাগরিকদের মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে নগদ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ আরও সুবিধাজনক হবে।

উল্লেখ্য, তিন হাজার ডলারের সীমাটি বার্ষিক ভ্রমণ কোটার সীমা নয়। একজন বাংলাদেশি নাগরিক বছরে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ডলার পর্যন্ত ভ্রমণ কোটায় বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করতে পারেন। নতুন সিদ্ধান্তে শুধু লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে একবারে নগদ বৈদেশিক মুদ্রা কেনার সীমা দুই হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার ডলার করা হয়েছে। ফলে একজন ভ্রমণকারী মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে একবারে সর্বোচ্চ তিন হাজার ডলার নগদ নিতে পারবেন। তাঁর বার্ষিক ১৮ হাজার ডলারের কোটার বাকি অংশ প্রযোজ্য নিয়মে অন্যভাবে ব্যবহার করা যাবে।