ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানি ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিধ্বস্ত

ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিধ্বস্ত হয়েছে। কুয়েতের বেসমারিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দ্য ডিরেক্টোরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজেসিএ)-এর বিবৃতির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস কুয়েত।

ডিজিসিএ-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আজ বৃহস্পতিবার সকালে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন আঘাত করেছে। এতে বিমানবন্দরের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসেব করছে এবং বিমানবন্দরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের ব্যবস্থা নিচ্ছে।”

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো এবং সেসব দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।

মার্কিন অবরোধ আলোচনার অন্তরায়, ট্রাম্পকে জানাল পাকিস্তান

ইরানি ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিধ্বস্ত

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিধ্বস্ত হয়েছে। কুয়েতের বেসমারিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দ্য ডিরেক্টোরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজেসিএ)-এর বিবৃতির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস কুয়েত।

ডিজিসিএ-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আজ বৃহস্পতিবার সকালে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন আঘাত করেছে। এতে বিমানবন্দরের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসেব করছে এবং বিমানবন্দরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের ব্যবস্থা নিচ্ছে।”

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো এবং সেসব দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।