ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে মিতুর সিম কার্ড মিলল ভোলার রিকশাচালকের কাছে

অবশেষে মিতুর সিম কার্ড মিলল ভোলার রিকশাচালকের কাছে

সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুর মোবাইল সিমটি ভোলার এক রিকশাচালকের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোলার লালমোহন উপজেলার বাসিন্দার কাছ থেকে সিমটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. কামরুজ্জামান জনান, মিতুর হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি চট্টগ্রাম শহরে রিকশা চালাতেন। পরে তিনি চট্টগ্রাম ছেড়ে ভোলায় চলে যান। এখন ভোলার লালমোহনে একটি চরে থাকেন এবং দিনমজুরের কাজ করেন। তবে মিতুর মোবাইল ফোনটি এখনও উদ্ধার হয়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, ‘চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় রিকশা চালানোর সময় সিমটি খুঁজে পান বলে জানিয়েছেন ভোলার ওই ব্যক্তি। পরে এই সিম ব্যবহার করে বিভিন্নজনের সঙ্গে কথা বলার বিষয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দিয়ে সিমটি আনা হয়েছে। এখন হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের চেষ্টা করছি।’ তবে ভোলার ওই লোকের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে মিতুর মা শাহেদা মোশাররফ মোবাইলটি সচল থাকার কথা বলেছিলেন।

গত বছরের ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় নগরীর জিইসি মোড়ে দুর্বৃত্তদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত ও গুলিতে নিহত হন পুলিশ সদর দফতরে কমর্রত তত্কালীণ পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় পুলিশ গত আট মাসে একাধিক লোককে গ্রেফতার করলেও মোটিভ সম্পর্কে কোনো ধারনা পায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন গাজায় শিশুদের লক্ষ্য করে ‘গণহত্যা’ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল

অবশেষে মিতুর সিম কার্ড মিলল ভোলার রিকশাচালকের কাছে

আপডেট সময় : ০৯:৩০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

অবশেষে মিতুর সিম কার্ড মিলল ভোলার রিকশাচালকের কাছে

সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুর মোবাইল সিমটি ভোলার এক রিকশাচালকের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোলার লালমোহন উপজেলার বাসিন্দার কাছ থেকে সিমটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. কামরুজ্জামান জনান, মিতুর হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি চট্টগ্রাম শহরে রিকশা চালাতেন। পরে তিনি চট্টগ্রাম ছেড়ে ভোলায় চলে যান। এখন ভোলার লালমোহনে একটি চরে থাকেন এবং দিনমজুরের কাজ করেন। তবে মিতুর মোবাইল ফোনটি এখনও উদ্ধার হয়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, ‘চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় রিকশা চালানোর সময় সিমটি খুঁজে পান বলে জানিয়েছেন ভোলার ওই ব্যক্তি। পরে এই সিম ব্যবহার করে বিভিন্নজনের সঙ্গে কথা বলার বিষয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দিয়ে সিমটি আনা হয়েছে। এখন হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের চেষ্টা করছি।’ তবে ভোলার ওই লোকের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে মিতুর মা শাহেদা মোশাররফ মোবাইলটি সচল থাকার কথা বলেছিলেন।

গত বছরের ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় নগরীর জিইসি মোড়ে দুর্বৃত্তদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত ও গুলিতে নিহত হন পুলিশ সদর দফতরে কমর্রত তত্কালীণ পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় পুলিশ গত আট মাসে একাধিক লোককে গ্রেফতার করলেও মোটিভ সম্পর্কে কোনো ধারনা পায়নি।