ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেগে উঠেছে ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি

জেগে উঠেছে ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
প্রায় দেড়শো বছর পর ঘুম ভেঙে জেগে ওঠেছে ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ব্যারেন।গোয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওসেনোগ্রাফি (এনআইও) জানায় গতকাল শুক্রবার জেগে উঠেছে ঘুমন্ত এ আগ্নেয়গিরি।

আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ১৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরি। ১৫০ বছর ধরে সুপ্ত থাকার পর ১৯৯১ সালে প্রথম জেগে ওঠে এটি। তারপর থেকে মাঝে মধ্যেই অগ্ন্যুৎপাত হতে দেখা যায়। চলতি বছর ২৩ জানুয়ারি সিএসআইএর-এনআইওর রিসার্চ শিপ-এ করে একটি দল গবেষণার জন্য ওই এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে ফের এ রকম ঘটনা দেখে। তারপর থেকেই এই আগ্নেয়গিরির উপরে নজর রাখেন ভারতের বিজ্ঞানীরা।

এনআইও সূত্রে খবর, শুক্রবারও সারা দিন অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। যা ৫ থেকে ১০ মিনিট করে স্থায়ী হচ্ছিল। ওই দিনও আগ্নেয়গিরির আশেপাশে নমুনা সংগ্রহ করছিলেন তারা। তখন আচমকাই আগ্নেয়গিরির মুখ থেকে প্রচুর ছাই উঠতে শুরু করে। দিনের আলোয় প্রথমে শুধু ছাই দেখা যাচ্ছিল। পরে সন্ধ্যা হতেই আগ্নেয়গিরির গা বেয়ে লাল লাভা গড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এখান থেকে ক্রমাগত লাভা ও ছাই উদগীরণ হয়ে চলছে।

এনআইও-র চিকিৎসক ডঃ অভয় মুধোলকরের নেতৃত্বে গবেষকদের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছে। ওই এলাকায় মাটি ও সমুদ্রের পানির নমুনা সংগ্রহ করেছেণ গবেষকরা। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও আগ্নেয়গিরির মুখে জমে আছে ঘন মেঘ। তা থেকে আরও কয়েকদিন এই উদগীরণ চলবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে বর্তমানে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জেগে উঠেছে ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি

আপডেট সময় : ০৫:৫০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

জেগে উঠেছে ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
প্রায় দেড়শো বছর পর ঘুম ভেঙে জেগে ওঠেছে ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ব্যারেন।গোয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওসেনোগ্রাফি (এনআইও) জানায় গতকাল শুক্রবার জেগে উঠেছে ঘুমন্ত এ আগ্নেয়গিরি।

আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ১৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরি। ১৫০ বছর ধরে সুপ্ত থাকার পর ১৯৯১ সালে প্রথম জেগে ওঠে এটি। তারপর থেকে মাঝে মধ্যেই অগ্ন্যুৎপাত হতে দেখা যায়। চলতি বছর ২৩ জানুয়ারি সিএসআইএর-এনআইওর রিসার্চ শিপ-এ করে একটি দল গবেষণার জন্য ওই এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে ফের এ রকম ঘটনা দেখে। তারপর থেকেই এই আগ্নেয়গিরির উপরে নজর রাখেন ভারতের বিজ্ঞানীরা।

এনআইও সূত্রে খবর, শুক্রবারও সারা দিন অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। যা ৫ থেকে ১০ মিনিট করে স্থায়ী হচ্ছিল। ওই দিনও আগ্নেয়গিরির আশেপাশে নমুনা সংগ্রহ করছিলেন তারা। তখন আচমকাই আগ্নেয়গিরির মুখ থেকে প্রচুর ছাই উঠতে শুরু করে। দিনের আলোয় প্রথমে শুধু ছাই দেখা যাচ্ছিল। পরে সন্ধ্যা হতেই আগ্নেয়গিরির গা বেয়ে লাল লাভা গড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এখান থেকে ক্রমাগত লাভা ও ছাই উদগীরণ হয়ে চলছে।

এনআইও-র চিকিৎসক ডঃ অভয় মুধোলকরের নেতৃত্বে গবেষকদের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছে। ওই এলাকায় মাটি ও সমুদ্রের পানির নমুনা সংগ্রহ করেছেণ গবেষকরা। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও আগ্নেয়গিরির মুখে জমে আছে ঘন মেঘ। তা থেকে আরও কয়েকদিন এই উদগীরণ চলবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।