ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে পরিষ্কার: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য

পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনা হত্যাযজ্ঞের প্রকৃত কারণ এখন বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে দেশপ্রেমিক নাগরিকরা এখন এই ট্র্যাজেডির নেপথ্যের ষড়যন্ত্র বুঝতে সক্ষম।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পিলখানা ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এই দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। দীর্ঘ সময় পর ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এই নৃশংস ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “এই ঘটনার বিচারকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই, তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী শক্তি কাজ করেছিল, তা প্রত্যেক নাগরিকের অনুধাবন করা জরুরি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ঘটনার পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করার সাহস না পায়, সেজন্য আজ সবাইকে পুনরায় শপথ নিতে হবে।

দেশের ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয় হিসেবে তিনি এই ঐক্যের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

মার্কিন অবরোধ আলোচনার অন্তরায়, ট্রাম্পকে জানাল পাকিস্তান

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে পরিষ্কার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৩০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনা হত্যাযজ্ঞের প্রকৃত কারণ এখন বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে দেশপ্রেমিক নাগরিকরা এখন এই ট্র্যাজেডির নেপথ্যের ষড়যন্ত্র বুঝতে সক্ষম।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পিলখানা ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এই দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। দীর্ঘ সময় পর ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এই নৃশংস ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “এই ঘটনার বিচারকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই, তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী শক্তি কাজ করেছিল, তা প্রত্যেক নাগরিকের অনুধাবন করা জরুরি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ঘটনার পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করার সাহস না পায়, সেজন্য আজ সবাইকে পুনরায় শপথ নিতে হবে।

দেশের ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয় হিসেবে তিনি এই ঐক্যের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।