ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ইরানে শিশুহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে করতে হবে’

‘ইরানে শিশুহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে করতে হবে’

ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত শিশুহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনায় জড়িতদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি এসব ঘটনার জন্য দায়ীদের গ্রেফতার করে জবাবদিহির মুখোমুখি করার আহ্বান জানান।

দেশের বিচার বিভাগীয় সপ্তাহ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, মিনাব ও লামার্দে সংঘটিত শিশুহত্যা এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার দেশীয় আদালতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আদালতেও হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের মার্চে সংঘটিত যুদ্ধের সময় ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলোর জন্য দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

খামেনি বলেন, ‘এই অপরাধের হোতাদের অবশ্যই গ্রেফতার করে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।’ তার ভাষ্য, এসব অভিযোগ শত শত, এমনকি হাজার হাজার গুরুত্বপূর্ণ আইনি মামলার মধ্যে অন্যতম, যেগুলো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে গুরুত্বের সঙ্গে অনুসরণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত ঘটনাগুলোর মধ্যে মিনাব ও লামার্দে শিশুহত্যা, চিকিৎসা ও সেবাকেন্দ্রে হামলা এবং সাইয়েদ আলী খামেনিকে গুপ্তহত্যার চেষ্টা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ ছাড়া এসব ঘটনার ফলে ইরানি জনগণের ওপর ব্যাপক শারীরিক, মানসিক ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিচার বিভাগের দায়িত্ব প্রসঙ্গে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিচার বিভাগের দায়িত্ব হলো জনগণের অধিকার রক্ষা করা, জনস্বার্থ ও বৈধ স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা, দুর্নীতি দমন করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, আইন সমুন্নত রাখা এবং আইনের বাস্তবায়ন তদারকি করা।’

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে ১০৯ তলা ভবনে বিমান বিধ্বস্ত, আতঙ্কে স্থানীয়রা

‘ইরানে শিশুহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে করতে হবে’

আপডেট সময় : ১২:০৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত শিশুহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনায় জড়িতদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি এসব ঘটনার জন্য দায়ীদের গ্রেফতার করে জবাবদিহির মুখোমুখি করার আহ্বান জানান।

দেশের বিচার বিভাগীয় সপ্তাহ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, মিনাব ও লামার্দে সংঘটিত শিশুহত্যা এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার দেশীয় আদালতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আদালতেও হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের মার্চে সংঘটিত যুদ্ধের সময় ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলোর জন্য দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

খামেনি বলেন, ‘এই অপরাধের হোতাদের অবশ্যই গ্রেফতার করে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।’ তার ভাষ্য, এসব অভিযোগ শত শত, এমনকি হাজার হাজার গুরুত্বপূর্ণ আইনি মামলার মধ্যে অন্যতম, যেগুলো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে গুরুত্বের সঙ্গে অনুসরণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত ঘটনাগুলোর মধ্যে মিনাব ও লামার্দে শিশুহত্যা, চিকিৎসা ও সেবাকেন্দ্রে হামলা এবং সাইয়েদ আলী খামেনিকে গুপ্তহত্যার চেষ্টা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ ছাড়া এসব ঘটনার ফলে ইরানি জনগণের ওপর ব্যাপক শারীরিক, মানসিক ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিচার বিভাগের দায়িত্ব প্রসঙ্গে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিচার বিভাগের দায়িত্ব হলো জনগণের অধিকার রক্ষা করা, জনস্বার্থ ও বৈধ স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা, দুর্নীতি দমন করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, আইন সমুন্নত রাখা এবং আইনের বাস্তবায়ন তদারকি করা।’