ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ মুর্হূতের গোলে প্রথম দল হিসেবে শেষ ষোলোতে কানাডা

শেষ মুর্হূতের গোলে প্রথম দল হিসেবে শেষ ষোলোতে কানাডা

নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দল। গোলশূন্যতে শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা। এরপর চলছিল যোগ করা মিনিটের খেলা। আর তখনই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেয়ে যায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডা। আর সেই গোলের লিড ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানে জিতে নেয় তারা।

এই জয়ের মাধ্যমে প্রথম দল হিসেবে এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার সেরা ষোলোতে জায়গা করে নিল কানাডা।

ম্যাচের ৯১তম মিনিটে গোল পায় কানাডা। গোলটি করেছেন স্টিভেন ইউস্টাকিও। চলতি বিশ্বকাপে তার প্রথম গোলে ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ গোলে হারালো কানাডা।

প্রথমার্ধে কানাডার অবিরাম আক্রমণের মুখেও কোনো গোল হজম না করে বিরতিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভাগ্যের সহায়তায় এবং দৃঢ় রক্ষণভাগের পারফরম্যান্সে গোলশূন্য অবস্থায় প্রথম ৪৫ মিনিট শেষ করে বাফানা বাফানা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে কানাডা। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচের শিষ্যরা নিচু ও সঙ্কুচিত রক্ষণভাগ গড়ে তুলে প্রতিপক্ষের বেশিরভাগ আক্রমণ সফলভাবে প্রতিহত করেন।

প্রথম ২০ মিনিটে উল্লেখযোগ্য কোনো গোলের সুযোগ তৈরি না হলেও ২২তম মিনিটে স্টিফেন ইউস্টাকিওর ফ্রি-কিক থেকে ডেরেক কর্নেলিয়াস হেড নেন। কিন্তু তার প্রচেষ্টা সরাসরি গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের হাতে চলে যায়।

প্রথমার্ধের বাকি সময়েও দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিপক্ষকে হতাশ করলেও নিজেদের বিল্ড-আপে কিছু ভুল করতে থাকে, যা তাদের উদ্বেগ বাড়ায়।

বিরতির ঠিক আগে কর্নার ও ফ্রি-কিক থেকে একের পর এক বিপজ্জনক সুযোগ তৈরি করে কানাডা। প্রথমে খুলিসো মডিবার ক্লিয়ারেন্স এবং পরে গোলরক্ষক উইলিয়ামসের দুর্দান্ত সেভে মোইজ বম্বিতোর হেড ও টাজন বুকানানের কাছ থেকে নেওয়া শট রক্ষা পায়।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে লিয়াম মিলারের পাসে বাম দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন রিচি লারিয়া। তাকে ফাউল করেছেন বলে মনে করে রেফারি প্রথমে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। তবে ভিএআরের হস্তক্ষেপে সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। রিপ্লেতে দেখা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার খুলিসো মুদাউ বল স্পর্শ করেছিলেন, ফলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।

প্রথমার্ধে কানাডা বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও তাদের সুযোগগুলো মূলত সেট-পিস থেকেই এসেছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা ভাগ্যের সহায়তায় গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যেতে সক্ষম হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিত শেঠিকে ফের প্রাণনাশের হুমকি, সন্দেহের কেন্দ্রে বিষ্ণোই গ্যাং

শেষ মুর্হূতের গোলে প্রথম দল হিসেবে শেষ ষোলোতে কানাডা

আপডেট সময় : ০২:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দল। গোলশূন্যতে শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা। এরপর চলছিল যোগ করা মিনিটের খেলা। আর তখনই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেয়ে যায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডা। আর সেই গোলের লিড ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানে জিতে নেয় তারা।

এই জয়ের মাধ্যমে প্রথম দল হিসেবে এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার সেরা ষোলোতে জায়গা করে নিল কানাডা।

ম্যাচের ৯১তম মিনিটে গোল পায় কানাডা। গোলটি করেছেন স্টিভেন ইউস্টাকিও। চলতি বিশ্বকাপে তার প্রথম গোলে ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ গোলে হারালো কানাডা।

প্রথমার্ধে কানাডার অবিরাম আক্রমণের মুখেও কোনো গোল হজম না করে বিরতিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভাগ্যের সহায়তায় এবং দৃঢ় রক্ষণভাগের পারফরম্যান্সে গোলশূন্য অবস্থায় প্রথম ৪৫ মিনিট শেষ করে বাফানা বাফানা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে কানাডা। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচের শিষ্যরা নিচু ও সঙ্কুচিত রক্ষণভাগ গড়ে তুলে প্রতিপক্ষের বেশিরভাগ আক্রমণ সফলভাবে প্রতিহত করেন।

প্রথম ২০ মিনিটে উল্লেখযোগ্য কোনো গোলের সুযোগ তৈরি না হলেও ২২তম মিনিটে স্টিফেন ইউস্টাকিওর ফ্রি-কিক থেকে ডেরেক কর্নেলিয়াস হেড নেন। কিন্তু তার প্রচেষ্টা সরাসরি গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের হাতে চলে যায়।

প্রথমার্ধের বাকি সময়েও দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিপক্ষকে হতাশ করলেও নিজেদের বিল্ড-আপে কিছু ভুল করতে থাকে, যা তাদের উদ্বেগ বাড়ায়।

বিরতির ঠিক আগে কর্নার ও ফ্রি-কিক থেকে একের পর এক বিপজ্জনক সুযোগ তৈরি করে কানাডা। প্রথমে খুলিসো মডিবার ক্লিয়ারেন্স এবং পরে গোলরক্ষক উইলিয়ামসের দুর্দান্ত সেভে মোইজ বম্বিতোর হেড ও টাজন বুকানানের কাছ থেকে নেওয়া শট রক্ষা পায়।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে লিয়াম মিলারের পাসে বাম দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন রিচি লারিয়া। তাকে ফাউল করেছেন বলে মনে করে রেফারি প্রথমে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। তবে ভিএআরের হস্তক্ষেপে সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। রিপ্লেতে দেখা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার খুলিসো মুদাউ বল স্পর্শ করেছিলেন, ফলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।

প্রথমার্ধে কানাডা বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও তাদের সুযোগগুলো মূলত সেট-পিস থেকেই এসেছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা ভাগ্যের সহায়তায় গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যেতে সক্ষম হয়।