দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসই বাজার মূলধন কমেছে ২৯৯ কোটি টাকা। ০৯ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত চলা এই সপ্তাহে সূচকে অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসই বাজার মূলধন কমেছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। টাকার অঙ্কে তা দাঁড়ায় ২৯৯ কোটি টাকা। ফলে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭ হাজার ৬১৫ কোটি টাকায়। এর আগের সপ্তাহে এই অঙ্ক ছিল ৭ লাখ ৭ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২২.৯৫ পয়েন্ট। শতাংশের হিসাবে তা শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ। পাশাপাশি ডিএস-৩০ সূচকও বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।
তবে শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস কমেছে ৩.৫৬ পয়েন্ট। এটি শতাংশের হিসাবে শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ পতন। অর্থাৎ বড় দুই সূচক বাড়লেও শরিয়াহ সূচকে নেতিবাচক ধারা দেখা গেছে।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৯৮৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে এই লেনদেন ছিল ৪ হাজার ৭২৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ফলে সামগ্রিক লেনদেনে প্রবৃদ্ধি লক্ষ করা গেছে।
এছাড়া, প্রতি কার্যদিবসের গড় লেনদেনের চিত্র ভিন্ন। চলতি সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৯৯৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এই গড় ছিল ১ হাজার ১৮১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ১৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
দরপতনের কবলে বেশিরভাগ কোম্পানি
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৩৮৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৬২টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২০৮টি কোম্পানির। তবে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকেছে।
এই পরিসংখ্যান বলছে, বিদায়ী সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা সার্বিকভাবে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। ফলস্বরূপ দরপতনের তালিকা দর বৃদ্ধির তালিকার চেয়ে দীর্ঘ হয়েছে।





















