ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতি মামলা ইস্যুতে বড় ধাক্কা খেলেন নেতানিয়াহু

দুর্নীতি মামলা ইস্যুতে বড় ধাক্কা খেলেন নেতানিয়াহু

আদালতে চলমান দুর্নীতি মামলা থেকে শিগগিরই মুক্তি মিলছে না ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট ইসাক হেরজগের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে।

শনিবার এক বিবৃতিতে হেরজগ বলেছেন, মামলাগুলোর বাদি পক্ষের সঙ্গে আপস-মীমাংসার ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর সমস্ত প্রচেষ্টা যদি ব্যর্থ হয়— কেবল তাহলেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

“প্রেসিডেন্ট তাই মনে করেন, (নেতানিয়াহুর) ক্ষমার আবেদনটি বিবেচনার আগে, আদালতের বাইরে পক্ষগুলোর মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সর্বপ্রকার এবং সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো উচিত।” বলা হয়েছে বিবৃতিতে

প্রেসিডেন্ট হেরজগের এই বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে শিগগিরই এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত আসছে না। ফলে আরও অনির্দিষ্টকালের জন্য আদালতে হাজির দিতে হবে নেতানিয়াহুকে।

প্রায় এক দশক আগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ৩টি দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ ঘুষ, প্রতারণা এবং অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গজনিত। ২০১৯ সালে ইসরায়েলের আদালতে মামলা আকারে অভিযোগগুলোর বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং এখনও তা চলছে। বর্তমানে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ৩টি দুর্নীতির মামলা চলমান এবং এসম মামলার শুনানিতে তাকে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হয়।

দুর্নতির মামলা থেকে রেহাই পেতে গত নভেম্বরে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছিলেন নেতানিয়াহু। তিনি আবেদন করার পর ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টকে সেটি বিবেচনার জন্য প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই আহ্বানের জবাবে প্রেসিডেন্ট হেরজগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘হস্তক্ষেপ’ প্রত্যাশিত নয়।

গতকাল রোববার দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে, প্রেসিডেন্ট হেরজগ মামলার বাদিপক্ষের সঙ্গে নেতানিয়াহুর একটি আপস-মীমাংসার জন্য মধ্যস্থতা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন এবং আপাতত ক্ষমার যেকোনো সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখছেন।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন প্রকাশের পরেই বিবৃতি প্রকাশ করে হেরজগের দপ্তর।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলের ইতিহাসে নেতানিয়াহু হচ্ছেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যার ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও ঘটনায় জড়িত ০৫ আসামী র‍্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতার ।

দুর্নীতি মামলা ইস্যুতে বড় ধাক্কা খেলেন নেতানিয়াহু

আপডেট সময় : ১২:২৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আদালতে চলমান দুর্নীতি মামলা থেকে শিগগিরই মুক্তি মিলছে না ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট ইসাক হেরজগের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে।

শনিবার এক বিবৃতিতে হেরজগ বলেছেন, মামলাগুলোর বাদি পক্ষের সঙ্গে আপস-মীমাংসার ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর সমস্ত প্রচেষ্টা যদি ব্যর্থ হয়— কেবল তাহলেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

“প্রেসিডেন্ট তাই মনে করেন, (নেতানিয়াহুর) ক্ষমার আবেদনটি বিবেচনার আগে, আদালতের বাইরে পক্ষগুলোর মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সর্বপ্রকার এবং সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো উচিত।” বলা হয়েছে বিবৃতিতে

প্রেসিডেন্ট হেরজগের এই বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে শিগগিরই এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত আসছে না। ফলে আরও অনির্দিষ্টকালের জন্য আদালতে হাজির দিতে হবে নেতানিয়াহুকে।

প্রায় এক দশক আগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ৩টি দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ ঘুষ, প্রতারণা এবং অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গজনিত। ২০১৯ সালে ইসরায়েলের আদালতে মামলা আকারে অভিযোগগুলোর বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং এখনও তা চলছে। বর্তমানে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ৩টি দুর্নীতির মামলা চলমান এবং এসম মামলার শুনানিতে তাকে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হয়।

দুর্নতির মামলা থেকে রেহাই পেতে গত নভেম্বরে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছিলেন নেতানিয়াহু। তিনি আবেদন করার পর ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টকে সেটি বিবেচনার জন্য প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই আহ্বানের জবাবে প্রেসিডেন্ট হেরজগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘হস্তক্ষেপ’ প্রত্যাশিত নয়।

গতকাল রোববার দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে, প্রেসিডেন্ট হেরজগ মামলার বাদিপক্ষের সঙ্গে নেতানিয়াহুর একটি আপস-মীমাংসার জন্য মধ্যস্থতা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন এবং আপাতত ক্ষমার যেকোনো সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখছেন।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন প্রকাশের পরেই বিবৃতি প্রকাশ করে হেরজগের দপ্তর।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলের ইতিহাসে নেতানিয়াহু হচ্ছেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।