ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে সাত খুন মামলার দ্রুত রায় কার্যকর ও খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি,বিচারহীনতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

দ্রুত রায় কার্যকর ও খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি,বিচারহীনতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিনের

দেশজুড়ে আলোচিত নারায়ণগঞ্জ সাত খুন মামলা-এর ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন। নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আইনজীবীরা খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত এবং দ্রুত রায় কার্যকরের জোর দাবি জানান।
মানববন্ধনে সংহতি জানাতে উপস্থিত হন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন। তিনি বক্তব্যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন এবং অতীতের বিভিন্ন আলোচিত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্যে এমপি আল আমিন সাত খুন মামলার অন্যতম ভিকটিম,আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার-এর সাহসিকতার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন,
পেশাগত দায়িত্ববোধ ও ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার থেকেই তিনি অপরাধের প্রমাণ সংরক্ষণের চেষ্টা করেছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই সততাই তার জন্য মৃত্যুঝুঁকি ডেকে আনে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাখাওয়াত হোসেন-এর নেতৃত্বে আইনজীবীরা তৎকালীন ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভিকটিম পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের এই সাহসী ভূমিকা বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্যের একপর্যায়ে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন দাবি করেন,নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন আলোচিত হত্যাকাণ্ড—ত্বকী হত্যা থেকে শুরু করে সাত খুন মামলাসহ—এসব ঘটনার সঙ্গে ওসমান পরিবার-এর সংশ্লিষ্টতা পরিলক্ষিত হয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন,ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সকল ন্যায়সংগত আন্দোলনে আমি আইনজীবীদের পাশে থাকবো।
সাত খুন মামলার দ্রুত রায় কার্যকর,খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত,বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ,ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত,
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যার ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও ঘটনায় জড়িত ০৫ আসামী র‍্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতার ।

নারায়ণগঞ্জে সাত খুন মামলার দ্রুত রায় কার্যকর ও খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি,বিচারহীনতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

আপডেট সময় : ০৬:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দ্রুত রায় কার্যকর ও খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি,বিচারহীনতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিনের

দেশজুড়ে আলোচিত নারায়ণগঞ্জ সাত খুন মামলা-এর ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন। নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আইনজীবীরা খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত এবং দ্রুত রায় কার্যকরের জোর দাবি জানান।
মানববন্ধনে সংহতি জানাতে উপস্থিত হন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন। তিনি বক্তব্যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন এবং অতীতের বিভিন্ন আলোচিত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্যে এমপি আল আমিন সাত খুন মামলার অন্যতম ভিকটিম,আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার-এর সাহসিকতার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন,
পেশাগত দায়িত্ববোধ ও ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার থেকেই তিনি অপরাধের প্রমাণ সংরক্ষণের চেষ্টা করেছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই সততাই তার জন্য মৃত্যুঝুঁকি ডেকে আনে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাখাওয়াত হোসেন-এর নেতৃত্বে আইনজীবীরা তৎকালীন ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভিকটিম পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের এই সাহসী ভূমিকা বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্যের একপর্যায়ে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন দাবি করেন,নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন আলোচিত হত্যাকাণ্ড—ত্বকী হত্যা থেকে শুরু করে সাত খুন মামলাসহ—এসব ঘটনার সঙ্গে ওসমান পরিবার-এর সংশ্লিষ্টতা পরিলক্ষিত হয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন,ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সকল ন্যায়সংগত আন্দোলনে আমি আইনজীবীদের পাশে থাকবো।
সাত খুন মামলার দ্রুত রায় কার্যকর,খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত,বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ,ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত,
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।