ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যার ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও ঘটনায় জড়িত ০৫ আসামী র‍্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতার ।

গত ২৫/০৪/২০২৬ ইং তারিখ শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেনে আইরিশ হোটেলের পাশে বুলেট বৈরাগী (৩৫) নামে এক কাস্টমস কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায় ভিকটিম বুলেট বৈরাগী কাস্টমস এক্সাসাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি চট্টগ্রাম হতে ৪৪ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে রাতে কুমিল্লায় তার বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেছিলেন। ফেরার পথে কুমিল্লার কাছাকাছি স্থানে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সাথে মোবাইলে কথা বলেছিলেন। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন ফোন দিয়ে তার মোবাইলটি বন্ধ পায়। পরবর্তীতে সকালে মহাসড়কের পাশে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়। তখন ভিকটিমের মুখমণ্ডল’সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৫১, তারিখ-২৫/০৪/২০২৬ ইং, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০। উক্ত খুনের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। আলোচিত এই খুনের ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের শনাক্তপূর্বক গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।

এরই প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা নজরদারী, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৬/০৪/২০২৬ ইং তারিখ বিভিন্ন সময়ে র‍্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামী ১। মোঃ সোহাগ (৩৪), পিতা- মৃত নুর ইসলাম, মাতা-সাহিদা বেগম, সাং- ধর্মপুর, ২। ইসমাইল হোসেন জনি (২৮), পিতা-মৃত হারুন মিয়া, মাতা-ফাতেমা বেগম, সাং-ধর্মপুর, ৩। এমরান হোসেন (২) হৃদয় (৩৪), পিতা- আমির হোসেন, মাতা- হাসনা বেগম, সাং- আমড়াতলী, ৪। রাহাত হোসেন জুয়েল (২৭), পিতা-মৃত হাবিবুর রহমান, মাতা-ঝর্না বেগম, সাং-আড়াইওড়া, ৫। মোঃ সুজন (৩২), পিতা- মৃত সজল মিয়া, মাতা-মৃত জহুরা বেগম, সাং- ধর্মপুর, সর্ব থানা কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লাদেরকে গ্রেফতার করে। এসময় গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিকট হতে ভিকটিমের ব্যবহৃত ০১ টি এ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, ০১ টি পাওয়ার ব্যাংক ও তার ব্যবহৃত পোষাকাদি সহ ০১ টি কাধ ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আসামীদের নিকট হতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ০১টি সিএনজি, ০১ টি চাপাতি, ০১ টি সুইচ গিয়ার, ০১টি স্কু ড্রাইভার ও ০১ টি ফোরজিং হ্যামার, ০১টি প্লায়ার্স, ০২টি মোবাইল ও নগদ ২,৫০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীগণ একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সক্রিয় সদস্য। আসামীরা কুমিল্লা শহরে দূর-দূরান্ত থেকে আগত যাত্রীদের রাতেরবেলা টার্গেট করে তাদের সিএজি/অটোতে তুলে ধারালে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ও আঘাত করে ছিনতাই, ডাকাতি সহ বিভিন্ন ধরণের ধর্তব্য অপরাধ সংঘটন করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ২৫/০৪/২০২৬ ইং তারিখ রাতে আসামীরা সিএনজি নিয়ে কুমিল্লা জেলার জাগুরঝুলি বিশ্বরোড এলাকায় ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিল। রাত অনুঃ ০৩.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম বুলেট বৈরাগী (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে বাসযোগে কুমিল্লার জাগুরঝুলি বিশ্বরোড পৌঁছে বাস থেকে নামলে পূর্বে থেকে ওৎপেতে থাকা সিএনজি চালক আসামী জুয়েল ভিকটিমের গন্তব্যস্থল সম্পর্কে জানতে চান। তখন ভিকটিম জাঙ্গালিয়া যাওয়ার কথা বললে সিএনজির পিছনে যাত্রীর ছদ্মবেশে বসে থাকা আসামী সোহাগ ও হৃদয় ভিকটিমকে তাদের পাশে বসতে দেন। উক্ত সময় সিএনজি চালকের পাশে যাত্রীর ছদ্মবেশে বসে ছিল অপর আসামী জনি। সিএনজিটি জাগুরঝুলি হতে জাঙ্গালিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার পরপরই পিছনে থাকা আসামী সোহাগ ও হৃদয় মিলে ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে ভিকটিমকে আঘাত করে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এসময় আসামীদের সহিত ভিকটিমের ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে অপর আসামী জনি চলন্ত সিএনজির সামনের আসন হতে পিছনে এসে তার সাথে থাকা সুইস গিয়ার বের করে ভিকটিমকে ভয় দেখায় ও মারধর করে এবং ভিকটিমের সাথে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ও অন্যান্য মালামাল জোড়পূর্বক ছিনিয়ে নেয়। অতঃপর সিএনজিটি কোটবাড়ি বিশ্বরোড অতিক্রম করলে আসামীগণ ভিকটিমকে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত সিএনজি থেকে ফেলে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। আসামীদের আঘাত ও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার ফলে মাথার পিছনে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে ভিকটিম ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে আসামীরা গ্রেফতার এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে তারা উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে ও তাদের দেয়া তথ্যমতে ঘটনায় ব্যবহৃত সিএনজি ও হত্যকান্ডে ব্যবহৃত চাপাতি, সুইচগিয়ার ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যার ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও ঘটনায় জড়িত ০৫ আসামী র‍্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতার ।

কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যার ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও ঘটনায় জড়িত ০৫ আসামী র‍্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতার ।

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

গত ২৫/০৪/২০২৬ ইং তারিখ শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেনে আইরিশ হোটেলের পাশে বুলেট বৈরাগী (৩৫) নামে এক কাস্টমস কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায় ভিকটিম বুলেট বৈরাগী কাস্টমস এক্সাসাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি চট্টগ্রাম হতে ৪৪ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে রাতে কুমিল্লায় তার বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেছিলেন। ফেরার পথে কুমিল্লার কাছাকাছি স্থানে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সাথে মোবাইলে কথা বলেছিলেন। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন ফোন দিয়ে তার মোবাইলটি বন্ধ পায়। পরবর্তীতে সকালে মহাসড়কের পাশে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়। তখন ভিকটিমের মুখমণ্ডল’সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৫১, তারিখ-২৫/০৪/২০২৬ ইং, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০। উক্ত খুনের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। আলোচিত এই খুনের ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের শনাক্তপূর্বক গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।

এরই প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা নজরদারী, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৬/০৪/২০২৬ ইং তারিখ বিভিন্ন সময়ে র‍্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামী ১। মোঃ সোহাগ (৩৪), পিতা- মৃত নুর ইসলাম, মাতা-সাহিদা বেগম, সাং- ধর্মপুর, ২। ইসমাইল হোসেন জনি (২৮), পিতা-মৃত হারুন মিয়া, মাতা-ফাতেমা বেগম, সাং-ধর্মপুর, ৩। এমরান হোসেন (২) হৃদয় (৩৪), পিতা- আমির হোসেন, মাতা- হাসনা বেগম, সাং- আমড়াতলী, ৪। রাহাত হোসেন জুয়েল (২৭), পিতা-মৃত হাবিবুর রহমান, মাতা-ঝর্না বেগম, সাং-আড়াইওড়া, ৫। মোঃ সুজন (৩২), পিতা- মৃত সজল মিয়া, মাতা-মৃত জহুরা বেগম, সাং- ধর্মপুর, সর্ব থানা কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লাদেরকে গ্রেফতার করে। এসময় গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিকট হতে ভিকটিমের ব্যবহৃত ০১ টি এ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, ০১ টি পাওয়ার ব্যাংক ও তার ব্যবহৃত পোষাকাদি সহ ০১ টি কাধ ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আসামীদের নিকট হতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ০১টি সিএনজি, ০১ টি চাপাতি, ০১ টি সুইচ গিয়ার, ০১টি স্কু ড্রাইভার ও ০১ টি ফোরজিং হ্যামার, ০১টি প্লায়ার্স, ০২টি মোবাইল ও নগদ ২,৫০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীগণ একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সক্রিয় সদস্য। আসামীরা কুমিল্লা শহরে দূর-দূরান্ত থেকে আগত যাত্রীদের রাতেরবেলা টার্গেট করে তাদের সিএজি/অটোতে তুলে ধারালে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ও আঘাত করে ছিনতাই, ডাকাতি সহ বিভিন্ন ধরণের ধর্তব্য অপরাধ সংঘটন করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ২৫/০৪/২০২৬ ইং তারিখ রাতে আসামীরা সিএনজি নিয়ে কুমিল্লা জেলার জাগুরঝুলি বিশ্বরোড এলাকায় ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিল। রাত অনুঃ ০৩.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম বুলেট বৈরাগী (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে বাসযোগে কুমিল্লার জাগুরঝুলি বিশ্বরোড পৌঁছে বাস থেকে নামলে পূর্বে থেকে ওৎপেতে থাকা সিএনজি চালক আসামী জুয়েল ভিকটিমের গন্তব্যস্থল সম্পর্কে জানতে চান। তখন ভিকটিম জাঙ্গালিয়া যাওয়ার কথা বললে সিএনজির পিছনে যাত্রীর ছদ্মবেশে বসে থাকা আসামী সোহাগ ও হৃদয় ভিকটিমকে তাদের পাশে বসতে দেন। উক্ত সময় সিএনজি চালকের পাশে যাত্রীর ছদ্মবেশে বসে ছিল অপর আসামী জনি। সিএনজিটি জাগুরঝুলি হতে জাঙ্গালিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার পরপরই পিছনে থাকা আসামী সোহাগ ও হৃদয় মিলে ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে ভিকটিমকে আঘাত করে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এসময় আসামীদের সহিত ভিকটিমের ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে অপর আসামী জনি চলন্ত সিএনজির সামনের আসন হতে পিছনে এসে তার সাথে থাকা সুইস গিয়ার বের করে ভিকটিমকে ভয় দেখায় ও মারধর করে এবং ভিকটিমের সাথে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ও অন্যান্য মালামাল জোড়পূর্বক ছিনিয়ে নেয়। অতঃপর সিএনজিটি কোটবাড়ি বিশ্বরোড অতিক্রম করলে আসামীগণ ভিকটিমকে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত সিএনজি থেকে ফেলে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। আসামীদের আঘাত ও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার ফলে মাথার পিছনে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে ভিকটিম ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে আসামীরা গ্রেফতার এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে তারা উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে ও তাদের দেয়া তথ্যমতে ঘটনায় ব্যবহৃত সিএনজি ও হত্যকান্ডে ব্যবহৃত চাপাতি, সুইচগিয়ার ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।