ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধ থামাতে কি পুতিনের দিকে তাকাচ্ছে তেহরান?

যুদ্ধ থামাতে কি পুতিনের দিকে তাকাচ্ছে তেহরান?

পাকিস্তান সফর শেষ করে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে জানানো হয়েছে, সফরকালে আরাঘচি রাশিয়ান ফেডারেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক ইরান-রাশিয়া সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু গুরুত্ব পাবে।

এর আগে, দুই দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান সফর করেন ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ওমান ও পাকিস্তান- এই দুই দেশ সাম্প্রতিক সময়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছে।

এমন প্রেক্ষাপটে আরাঘচির মস্কো সফরকে বৃহত্তর কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় বিকল্প কূটনৈতিক পথগুলো সক্রিয় রাখার চেষ্টা করছে ইরান- এমন ধারণাও সামনে আসছে।

এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসলামাবাদে পরিকল্পিত সফর বাতিল করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ ভ্রমণের পরিবর্তে টেলিফোনে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অধিক কার্যকর হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র হওয়ায়, আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় আরাঘচির এই সফর চলমান উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে। তবে বাস্তবে কতটা অগ্রগতি হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যার ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও ঘটনায় জড়িত ০৫ আসামী র‍্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতার ।

যুদ্ধ থামাতে কি পুতিনের দিকে তাকাচ্ছে তেহরান?

আপডেট সময় : ১২:২৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তান সফর শেষ করে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে জানানো হয়েছে, সফরকালে আরাঘচি রাশিয়ান ফেডারেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক ইরান-রাশিয়া সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু গুরুত্ব পাবে।

এর আগে, দুই দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান সফর করেন ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ওমান ও পাকিস্তান- এই দুই দেশ সাম্প্রতিক সময়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছে।

এমন প্রেক্ষাপটে আরাঘচির মস্কো সফরকে বৃহত্তর কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় বিকল্প কূটনৈতিক পথগুলো সক্রিয় রাখার চেষ্টা করছে ইরান- এমন ধারণাও সামনে আসছে।

এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসলামাবাদে পরিকল্পিত সফর বাতিল করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ ভ্রমণের পরিবর্তে টেলিফোনে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অধিক কার্যকর হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র হওয়ায়, আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় আরাঘচির এই সফর চলমান উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে। তবে বাস্তবে কতটা অগ্রগতি হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।