জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে দেশগুলো থেকে আমেরিকায় পণ্য পাঠানোর খরচ আরও বাড়বে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) এই প্রস্তাবটি প্রকাশ্যে আনে। ধারা ৩০১-এর আওতায় পরিচালিত অন্যায্য বাণিজ্য চর্চা সংক্রান্ত একটি তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, বিভিন্ন দেশে জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য মার্কিন অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মূলত নিজেদের বাণিজ্যকে সুরক্ষিত রাখতেই এই অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে দেশটির পূর্ববর্তী জরুরি শুল্কব্যবস্থা বাতিল হয়ে গিয়েছিল। এরপর ট্রাম্প প্রশাসন যখন তাদের শুল্ক কাঠামো নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নিচ্ছে, ঠিক তখনই এই প্রস্তাবটি সামনে এলো।
ইউএসটিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, শুল্কের হারকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
-
১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক: জোরপূর্বক শ্রম সংক্রান্ত তদন্তের সূত্র ধরে বাংলাদেশ, কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং যুক্তরাজ্য—এই দেশ ও অঞ্চলগুলোর পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
-
১২.৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক: তদন্তের আওতায় থাকা বাকি ৪৫টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক চাপানো হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন বাণিজ্য সংস্থাটি।
























