ইরানের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক চাপ ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা দেশটির বোমাবর্ষণ অভিযানের তুলনায় বেশি ক্ষতি করতে পারে বলে ধারণা করছেন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তারা।
১৩ দিনের টানা হামলার পর ট্রাম্প আপাতত হামলা স্থগিত রাখলেও দুই পক্ষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অর্থ ছাড় ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান, কাতার এবং পাকিস্তানের মাধ্যমে আলোচনার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনায় ইরান ও ওমানকে যৌথ ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। তেহরান নিরাপত্তা নিশ্চিতের সাথে অবরুদ্ধ সম্পদ ও ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর থেকে মার্কিন অর্থ দপ্তরের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।

মার্কিন অর্থ সচিব স্কট বেসেন্টের নেওয়া পদক্ষেপ ও আর্থিক চাপের কারণে ইরান তাদের যোদ্ধাদের বেতন দিতে পারছে না বলে গোয়েন্দা তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে। দেশটিতে ব্যাংকে অর্থ সংকট ও পেট্রোলের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় তারা যুদ্ধের চেয়ে অর্থ দপ্তরের পদক্ষেপকে বেশি ভয় পাচ্ছে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
তবে ওবসিডিয়ান রিস্ক অ্যাডভাইজার্সের বিশ্লেষক ব্রেট এরিকসন জানান যে বছরের প্রথমার্ধে তেলের ২৩ বিলিয়ন ডলার আয় করা ইরানের বিরুদ্ধে এই অর্থনৈতিক কৌশল শতভাগ কার্যকর নাও হতে পারে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান যে ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধান পছন্দ করেন, তবে ইরান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখলে সব পথ খোলা রাখা হবে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন গোলাবারুদের মজুদ নিয়ে সতর্ক করলেও প্রেসিডেন্টের কাছে সামরিক ও অর্থনৈতিক দুই পথেই জয়ী হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান।






















