আগামী শুক্রবার ভেঙে দেওয়া হচ্ছে ইসরায়েলের সংসদ নেসেট। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ২৭ অক্টোবর দেশটিতে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এবারই প্রথম জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করছে ইসরায়েল। ফলে এই নির্বাচনের মাধ্যমে যাচাই হবে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারের প্রকৃত জনপ্রিয়তা।
সর্বশেষ নির্বাচনে নেতানিয়াহুর দল একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ আসন পেয়েছিল। তবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তাকে জোট করতে হয়েছিল উগ্র ডানপন্থি দলগুলোর সঙ্গে। এর ফলেই গঠিত হয় ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টরপন্থি সরকার, যার মূল লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল ও অধিকার হরণ।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেসেটের হাতে আর মাত্র অল্প কিছু অধিবেশন বাকি আছে। তাই আগামী শুক্রবারই আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ ভেঙে দেওয়া হবে।
তবে এর আগেই নেতানিয়াহুর জোট সরকার কিছু বিতর্কিত আইন পাস করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এর পেছনে উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনের আগে সাধারণ ভোটারদের সমর্থন আদায় করা।
এছাড়া নির্বাচনের আগ পর্যন্ত পশ্চিমতীরে অবৈধ বসতি স্থাপন আরও বেড়ে যেতে পারে। ফলে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের পাশাপাশি সেখানে সহিংসতাও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
বিভিন্ন জরিপের ফলাফল বলছে, এবারের নির্বাচনে ৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাতে পারেন। তবে অতীতে জরিপের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করেই তিনি বারবার ক্ষমতায় ফিরেছেন। তাই এবারের ফল নিয়েও এখনই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।























