ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটস গাজা উপত্যকার ধ্বংসস্তূপ দেখে নিজের মধ্যে সন্তুষ্টির অনুভূতি হওয়ার কথা জানিয়েছেন। উত্তর গাজা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। ফলে তার এই বক্তব্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
পরিদর্শনে বিতর্কিত প্রতিক্রিয়া
উত্তর গাজার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে কাটস উপস্থিত সাংবাদিকদের সরাসরি বলেন, এটি তার কাছে একধরনের ভালো অনুভূতি তৈরি করে। এছাড়া তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, গাজার এই বিধ্বস্ত অবস্থা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।
বরং তিনি দাবি করেন, এটি তাদের একটি সুনির্দিষ্ট নীতিরই ফলাফল। এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের নিরাপত্তা ঝুঁকিগুলো স্থায়ীভাবে দূর করা। পাশাপাশি তিনি জানান, তাদের সামরিক বাহিনী আগের কৌশল থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে এসেছে।
নতুন সামরিক কৌশলের ব্যাখ্যা
আগের সামরিক কৌশলের সমালোচনা করে কাটস বলেন, তখন সেনাবাহিনী সাময়িকভাবে গাজায় ঢুকে অভিযান শেষে ফিরে আসত। তবে এখন পরিস্থিতি আলাদা বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার ভাষ্যমতে, বর্তমানে সেনাবাহিনী গাজার ভেতরেই অবস্থান করছে। এর ফলে সন্ত্রাসীরা এলাকার বাইরে অবস্থান করতে বাধ্য হচ্ছে এবং ঘরবাড়িগুলো ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।
দীর্ঘমেয়াদি দখলদারিত্বের পরিকল্পনা
দীর্ঘমেয়াদি সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে কাটস একটি নতুন পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছেন। এই পরিকল্পনার আওতায় গাজা উপত্যকার ভেতরে তিনটি নতুন সেনা-নিয়ন্ত্রিত বসতি বা আউটপোস্ট গড়ে তোলা হবে।
তবে গাজাকে চিরস্থায়ীভাবে দখলে রাখার এই নীতি নিয়ে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নিন্দা শুরু হয়েছে। ফলে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও কূটনৈতিক চাপের মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।























