ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংস, দাবি ট্রাম্পের

ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংস, দাবি ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক সামরিক হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তার ভাষায়, দেশটি এখন একরকম প্রস্তর যুগে ফিরে গেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজ ম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, গত চার মাসে ইরানের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। এছাড়া দেশটির শক্তির একটি বড় অংশ এখন কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নৌবাহিনী ও যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতি

ট্রাম্প ইরানের ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরেন। তার দাবি, ইরানের নৌবাহিনীর কাছে মোট ১৫৯টি সামরিক জাহাজ ছিল। তবে এখন এই সবকটি জাহাজই সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে বলে তিনি জানান।

পাশাপাশি তিনি বলেন, তেহরানের সব যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়ে গেছে। এর সঙ্গে ইরানের রাডার ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

অস্ত্র তৈরির সক্ষমতায়ও বড় ধাক্কা

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও জানান, ইরানের সামরিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতার প্রায় ৮৪ শতাংশই ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে দেশটির অস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতা এখন অনেকটাই সীমিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তার মতে, বর্তমান ইরান চার মাস আগের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ও দুর্বল একটি রাষ্ট্র। কারণ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক আগ্রাসনের কথা উল্লেখ করেন, যা দেশটিকে প্রায় প্রস্তর যুগের কাছাকাছি নামিয়ে এনেছে বলে তিনি দাবি করেন।

ক্ষেপণাস্ত্র থাকলেও সক্ষমতা সামান্য

তবে ট্রাম্প স্বীকার করেন, ইরানের কাছে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে। যদিও তাদের সামগ্রিক সামরিক সক্ষমতা এখন অত্যন্ত সীমিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পূর্বেকার প্রভাবের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, ইরান একসময় মধ্যপ্রাচ্যের জন্য আতঙ্কের কারণ ছিল। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, দেশটি তার ওপর কোনো প্রভাব খাটাতে পারেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম ছাড়া সারাদেশে যথাসময়ে এইচএসসি পরীক্ষা, জানাল শিক্ষা বোর্ড

ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংস, দাবি ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০২:৫৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক সামরিক হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তার ভাষায়, দেশটি এখন একরকম প্রস্তর যুগে ফিরে গেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজ ম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, গত চার মাসে ইরানের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। এছাড়া দেশটির শক্তির একটি বড় অংশ এখন কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নৌবাহিনী ও যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতি

ট্রাম্প ইরানের ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরেন। তার দাবি, ইরানের নৌবাহিনীর কাছে মোট ১৫৯টি সামরিক জাহাজ ছিল। তবে এখন এই সবকটি জাহাজই সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে বলে তিনি জানান।

পাশাপাশি তিনি বলেন, তেহরানের সব যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়ে গেছে। এর সঙ্গে ইরানের রাডার ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

অস্ত্র তৈরির সক্ষমতায়ও বড় ধাক্কা

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও জানান, ইরানের সামরিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতার প্রায় ৮৪ শতাংশই ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে দেশটির অস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতা এখন অনেকটাই সীমিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তার মতে, বর্তমান ইরান চার মাস আগের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ও দুর্বল একটি রাষ্ট্র। কারণ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক আগ্রাসনের কথা উল্লেখ করেন, যা দেশটিকে প্রায় প্রস্তর যুগের কাছাকাছি নামিয়ে এনেছে বলে তিনি দাবি করেন।

ক্ষেপণাস্ত্র থাকলেও সক্ষমতা সামান্য

তবে ট্রাম্প স্বীকার করেন, ইরানের কাছে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে। যদিও তাদের সামগ্রিক সামরিক সক্ষমতা এখন অত্যন্ত সীমিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পূর্বেকার প্রভাবের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, ইরান একসময় মধ্যপ্রাচ্যের জন্য আতঙ্কের কারণ ছিল। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, দেশটি তার ওপর কোনো প্রভাব খাটাতে পারেনি।