ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আটলান্টিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স উদ্ধার, ৬ আরোহী এখনো নিখোঁজ

বারমুডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন যাওয়ার পথে আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ হওয়া একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছে মার্কিন কোস্টগার্ড।

শনিবার ভোরে ম্যাসাচুসেটসের নানটকেট দ্বীপের কাছে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। তবে ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মিললেও এতে থাকা রোগী, তার স্বজন এবং চার পাইলটসহ ছয় আরোহীর এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, গালফস্ট্রিম জি১০০ মডেলের ওই মেডিকেল বিমানটিতে বারমুডার এক রোগী ও তার স্বজন ছিলেন। বিমানটির চার ক্রু ছিলেন। তারা সবাই কানাডার নাগরিক।

ফ্লাইট-সংক্রান্ত তথ্যানুযায়ী, শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বিমানটির পক্ষ থেকে বৈদ্যুতিক ত্রুটির কথা জানানো হয়। এর পরপরই পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা বলছে, মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে বিমানটি কয়েক হাজার ফুট নিচে নেমে যায় এবং একপর্যায়ে রাডারের সঙ্গে পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার ঠিক আগে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তারা জানতে চেয়েছিলেন, বিমানটিতে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা হচ্ছে কিনা। তবে পাইলটের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথম ২৭ ঘণ্টায় প্রায় এক হাজার ৬৪৪ বর্গমাইল এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারের পরও নিখোঁজ ছয় আরোহীর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনাটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বারমুডার প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বার্ট নিখোঁজদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ছয় আরোহীকে নিরাপদে ফিরে পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ফ্রান্সে ৫০০ স্কুল বন্ধ, গ্রেপ্তার ৫ হাজার

আটলান্টিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স উদ্ধার, ৬ আরোহী এখনো নিখোঁজ

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

বারমুডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন যাওয়ার পথে আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ হওয়া একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছে মার্কিন কোস্টগার্ড।

শনিবার ভোরে ম্যাসাচুসেটসের নানটকেট দ্বীপের কাছে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। তবে ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মিললেও এতে থাকা রোগী, তার স্বজন এবং চার পাইলটসহ ছয় আরোহীর এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, গালফস্ট্রিম জি১০০ মডেলের ওই মেডিকেল বিমানটিতে বারমুডার এক রোগী ও তার স্বজন ছিলেন। বিমানটির চার ক্রু ছিলেন। তারা সবাই কানাডার নাগরিক।

ফ্লাইট-সংক্রান্ত তথ্যানুযায়ী, শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বিমানটির পক্ষ থেকে বৈদ্যুতিক ত্রুটির কথা জানানো হয়। এর পরপরই পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা বলছে, মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে বিমানটি কয়েক হাজার ফুট নিচে নেমে যায় এবং একপর্যায়ে রাডারের সঙ্গে পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার ঠিক আগে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তারা জানতে চেয়েছিলেন, বিমানটিতে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা হচ্ছে কিনা। তবে পাইলটের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথম ২৭ ঘণ্টায় প্রায় এক হাজার ৬৪৪ বর্গমাইল এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারের পরও নিখোঁজ ছয় আরোহীর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনাটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বারমুডার প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বার্ট নিখোঁজদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ছয় আরোহীকে নিরাপদে ফিরে পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান