ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজির হননি নোরা ফাতেহি, সঞ্জয় দত্তকে তলব

নোরা ফাতেহির নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি’-কে ঘিরে বিতর্ক দিন দিন বাড়ছে। গানটি নিয়ে এরই মধ্যে নোরা সমন পেয়েছিলেন, ৭ এপ্রিল জাতীয় নারী কমিশনে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আজ (৭ এপ্রিল) তিনি সেখানে হাজির হননি। এরপরও কমিশন তাকে সশরীরে হাজির হওয়ার শেষ সুযোগ দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে আগামী ২৭ এপ্রিল।

শুনানিতে নেতৃত্ব দেন কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রহাটকর। উপস্থিত ছিলেন বিতর্কিত গানের গীতিকার রাকিব আলম, পরিচালক প্রেম এবং কেভিএন প্রোডাকশনসের প্রতিনিধি গৌতম কেএম ও সুপ্রীত।

কমিশন গানটির সুর ও কথার মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে, কীভাবে এমন বিষয়বস্তু মূলধারার চলচ্চিত্রে জায়গা পায়। বিজয়া স্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘সৃজনশীলতার নামে নারীর মর্যাদার সঙ্গে ছেলেখেলা করা যায় না।’

নির্মাতারা এরই মধ্যে লিখিতভাবে ক্ষমাপ্রার্থী হয়েছেন এবং স্বীকার করেছেন, গানের মাধ্যমে সমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা কমিশনকে আশ্বাস দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন।

শুনানির এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে, চলচ্চিত্র এবং গানের জগতে উত্তেজনাপূর্ণ বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সমাজে নেতিবাচক প্রভাব সীমিত করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজির হননি নোরা ফাতেহি, সঞ্জয় দত্তকে তলব

আপডেট সময় : ০১:২৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

নোরা ফাতেহির নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি’-কে ঘিরে বিতর্ক দিন দিন বাড়ছে। গানটি নিয়ে এরই মধ্যে নোরা সমন পেয়েছিলেন, ৭ এপ্রিল জাতীয় নারী কমিশনে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আজ (৭ এপ্রিল) তিনি সেখানে হাজির হননি। এরপরও কমিশন তাকে সশরীরে হাজির হওয়ার শেষ সুযোগ দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে আগামী ২৭ এপ্রিল।

শুনানিতে নেতৃত্ব দেন কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রহাটকর। উপস্থিত ছিলেন বিতর্কিত গানের গীতিকার রাকিব আলম, পরিচালক প্রেম এবং কেভিএন প্রোডাকশনসের প্রতিনিধি গৌতম কেএম ও সুপ্রীত।

কমিশন গানটির সুর ও কথার মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে, কীভাবে এমন বিষয়বস্তু মূলধারার চলচ্চিত্রে জায়গা পায়। বিজয়া স্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘সৃজনশীলতার নামে নারীর মর্যাদার সঙ্গে ছেলেখেলা করা যায় না।’

নির্মাতারা এরই মধ্যে লিখিতভাবে ক্ষমাপ্রার্থী হয়েছেন এবং স্বীকার করেছেন, গানের মাধ্যমে সমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা কমিশনকে আশ্বাস দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন।

শুনানির এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে, চলচ্চিত্র এবং গানের জগতে উত্তেজনাপূর্ণ বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সমাজে নেতিবাচক প্রভাব সীমিত করা সম্ভব হবে।