ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত কামব্যাক বায়ার্নের

বুন্দেস লিগার আরেকটি শিরোপা জয়ের পথ আগেই সুগম করে রেখেছে বায়ার্ন মিউনিখ। এখন কেবল ১৫ পয়েন্টের ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে নেওয়ার পালা। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে মেইনজের বিপক্ষে তাদের বড় পরীক্ষাই দিতে হলো। প্রথমার্ধেই তারা হজম করে ৩ গোল। তিনগুণ পিছিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরল ভিনসেন্ট কোম্পানির বাভারিয়ান শিবির।

প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নেমে পজেশনে অনেক এগিয়ে থাকলেও, মেইনজের একের পর এক আক্রমণ সামলাতে হয়েছে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের। মূলত নিজেদের আগের ম্যাচের একাদশ থেকে এদিন (শনিবার) আটটি পরিবর্তন নিয়ে নামার পর বায়ার্নের পারফরম্যান্সেও ছাপ পড়ে। বিরতির আগে দলটির একটি শটও লক্ষ্যে ছিল না। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি ১১ শট নেয় তারা, যার ৬টি লক্ষ্যে ছিল।

মেইনজ প্রথমার্ধেই তিন গোলে এগিয়ে থাকলেও, সেটি ধরে রাখতে পারল না বিরতির পর। তারা ২১টি শট নিয়ে ৮টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। স্বাগতিক দলটির পক্ষে একটি করে গোল করেন ডমিনিক কোহর, পল নেবেল ও শেরাল্ডো বেকের। বিপরীতে, ঘুরে দাঁড়িয়ে বায়ার্নের জয় নিশ্চিতের পথে নিকোলাস জ্যাকসন, মাইকেল ওলিসে, জামাল মুসিয়ালা ও হ্যারি কেইন একবার করে বল জালে জড়ান।

খেলার ১৫ মিনিটে মেইনজ এগিয়ে যায় ডমিনিকের গোলে, ২৯তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান নেবেল। আর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে শেরাল্ডো বেকেরের গোলে বায়ার্ন কোণঠাসা হয়ে পড়ে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরতে হ্যারি কেইন ও মাইকেল ওলিসেকে বদলি নামানোর পর বায়ার্নের আক্রমণে ধার ফেরে। হাতেনাতে সাফল্যও ধরা দেয়। জ্যাকসন ৫৩ মিনিটে প্রথম গোল করে ব্যবধান কমান, এরপর ৭৩ মিনিটে ওলিসে এবং ৮১ মিনিটে মুসিয়ালা গোল করলে স্কোরলাইন ৩-৩ হয়।

বাভারিয়ানদের জয়সূচক গোলটি আসে ৮৩ মিনিটে, চলমান টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন পেয়ে গেলেন ৩৩তম গোল। ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করা বায়ার্ন টেবিলে ব্যবধান বাড়াল ১৮ পয়েন্টে। ৩১ ম্যাচে ২৬ জয় ও চার ড্রয়ে তাদের ৮২ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে। ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে মেইনজ দশ নম্বরে।

৩ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত কামব্যাক বায়ার্নের

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

বুন্দেস লিগার আরেকটি শিরোপা জয়ের পথ আগেই সুগম করে রেখেছে বায়ার্ন মিউনিখ। এখন কেবল ১৫ পয়েন্টের ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে নেওয়ার পালা। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে মেইনজের বিপক্ষে তাদের বড় পরীক্ষাই দিতে হলো। প্রথমার্ধেই তারা হজম করে ৩ গোল। তিনগুণ পিছিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরল ভিনসেন্ট কোম্পানির বাভারিয়ান শিবির।

প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নেমে পজেশনে অনেক এগিয়ে থাকলেও, মেইনজের একের পর এক আক্রমণ সামলাতে হয়েছে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের। মূলত নিজেদের আগের ম্যাচের একাদশ থেকে এদিন (শনিবার) আটটি পরিবর্তন নিয়ে নামার পর বায়ার্নের পারফরম্যান্সেও ছাপ পড়ে। বিরতির আগে দলটির একটি শটও লক্ষ্যে ছিল না। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি ১১ শট নেয় তারা, যার ৬টি লক্ষ্যে ছিল।

মেইনজ প্রথমার্ধেই তিন গোলে এগিয়ে থাকলেও, সেটি ধরে রাখতে পারল না বিরতির পর। তারা ২১টি শট নিয়ে ৮টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। স্বাগতিক দলটির পক্ষে একটি করে গোল করেন ডমিনিক কোহর, পল নেবেল ও শেরাল্ডো বেকের। বিপরীতে, ঘুরে দাঁড়িয়ে বায়ার্নের জয় নিশ্চিতের পথে নিকোলাস জ্যাকসন, মাইকেল ওলিসে, জামাল মুসিয়ালা ও হ্যারি কেইন একবার করে বল জালে জড়ান।

খেলার ১৫ মিনিটে মেইনজ এগিয়ে যায় ডমিনিকের গোলে, ২৯তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান নেবেল। আর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে শেরাল্ডো বেকেরের গোলে বায়ার্ন কোণঠাসা হয়ে পড়ে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরতে হ্যারি কেইন ও মাইকেল ওলিসেকে বদলি নামানোর পর বায়ার্নের আক্রমণে ধার ফেরে। হাতেনাতে সাফল্যও ধরা দেয়। জ্যাকসন ৫৩ মিনিটে প্রথম গোল করে ব্যবধান কমান, এরপর ৭৩ মিনিটে ওলিসে এবং ৮১ মিনিটে মুসিয়ালা গোল করলে স্কোরলাইন ৩-৩ হয়।

বাভারিয়ানদের জয়সূচক গোলটি আসে ৮৩ মিনিটে, চলমান টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন পেয়ে গেলেন ৩৩তম গোল। ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করা বায়ার্ন টেবিলে ব্যবধান বাড়াল ১৮ পয়েন্টে। ৩১ ম্যাচে ২৬ জয় ও চার ড্রয়ে তাদের ৮২ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে। ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে মেইনজ দশ নম্বরে।