ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদে‌শের আহ্বান

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও অস্ত্র বিস্তার রোধ করতে বৈশ্বিক অঙ্গীকার নবায়ন এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি’র (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক পেরিয়ে গেলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনো সম্ভব হয়নি। পারমাণবিক অস্ত্রের অব্যাহত বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং এটি বৈশ্বিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে বলেও জানান তিনি।

নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে।

নিরস্ত্রীকরণে প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন থেকেই পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে রয়েছে। বাংলাদেশ একটি পরমাণু অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় ‘অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র’ হিসেবে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এনপিটির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির সর্বজনীনকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, গঠনমূলক সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা বাড়ানো এবং একযোগে বৈশ্বিক উদ্যোগের মাধ্যমে পারমাণবিক হুমকিবিহীন একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়তে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ।

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদে‌শের আহ্বান

আপডেট সময় : ০১:৩০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি’র (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক পেরিয়ে গেলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনো সম্ভব হয়নি। পারমাণবিক অস্ত্রের অব্যাহত বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং এটি বৈশ্বিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে বলেও জানান তিনি।

নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে।

নিরস্ত্রীকরণে প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন থেকেই পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে রয়েছে। বাংলাদেশ একটি পরমাণু অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় ‘অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র’ হিসেবে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এনপিটির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির সর্বজনীনকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, গঠনমূলক সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা বাড়ানো এবং একযোগে বৈশ্বিক উদ্যোগের মাধ্যমে পারমাণবিক হুমকিবিহীন একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়তে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ।