ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেই সময়টা খুব স্ট্রাগলিং এবং অপূর্ণ ইচ্ছা নিয়ে মুখ খুললেন তিশা

সেই সময়টা খুব স্ট্রাগলিং এবং অপূর্ণ ইচ্ছা নিয়ে মুখ খুললেন তিশা



ফটোকার্ড ডাউনলোড

অভিনয় জগতে আজ তিনি এক পরিচিত নাম। নাটক কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম—সবখানেই নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখে চলেছেন তাসনুভা তিশা। তবে পর্দায় যাকে দেখে দর্শক মুগ্ধ হন, সেই তিশার ছোটবেলার স্বপ্ন কিন্তু অভিনেত্রী হওয়া ছিল না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো এবং শৈশব-কৈশোরের অপূর্ণ ইচ্ছা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই তারকা।

শৈশবে তাসনুভা তিশার ইচ্ছা ছিল সংবাদ উপস্থাপিকা (নিউজ প্রেজেন্টার) হওয়ার। টেলিভিশনের পর্দায় নিচের স্ক্রলিং নিউজ দেখে তিনি জোরে জোরে পড়ার অনুশীলন করতেন এবং ভাবতেন যদি কখনো এই পেশায় আসতে পারতেন!

পরবর্তীতে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় দেশে এফএম রেডিওর চল শুরু হলে তার স্বপ্ন বদলায়। রেডিও ফুর্তি বা রেডিও টুডেতে আরজেদের কথা শুনে মুগ্ধ হয়ে তিনি আরজে হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। অভিনয়ে আসবেন বা এটিকে পেশা হিসেবে বেছে নেবেন, তা কখনোই ভাবেননি তিনি।

২০১৩ সালের দিকে একটি ম্যাগাজিন এবং শাড়ির ফটোশুটের মাধ্যমে তিশার মিডিয়া লাইফ শুরু হয়। আর এর পেছনে মূল অবদান ছিল তার প্রবাসী বান্ধবী আনমোলের। অনলাইন বুটিক ব্যবসার সূত্র ধরে আনমোলই তিশাকে জোর করে ক্যামেরার সামনে দাঁড় করিয়েছিলেন। প্রথম দিকে প্রচণ্ড নার্ভাস তিশা জানতেনই না কীভাবে পোজ দিতে হয়।

রাস্তায় বড় বড় বিলবোর্ড দেখে তিশারও ইচ্ছা জাগত মডেল হওয়ার। তবে গোলগাল চেহারার কারণে প্রথাগত মডেলিং তার জন্য নয় বুঝতে পেরে তিনি পরবর্তীতে অভিনয়ে মনোযোগ দেন।

আজকের অবস্থানে আসতে তিশাকে পার করতে হয়েছে এক কঠিন সময়। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, সেই সময়ে কাজের পাশাপাশি তাকে পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে হতো। জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার জন্য সেই পিরিয়ডটা তার জন্য ভীষণ স্ট্রাগলিং বা সংঘর্ষের ছিল।

চলচ্চিত্রে নিয়মিত হওয়া প্রসঙ্গে তিশা জানান, বড় পর্দায় ওভাবে এখনো তার কাজ করা হয়নি, তবে কিছু ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছেন। সিনেমায় কাজ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

“সিনোমা অনেক বড় বিষয়, হুট করে তো আর হয় না। আসলে আমার পরিকল্পনায় তো কিছু হবে না। বড় কোনো প্রোডাকশন হাউস, পরিচালক বা প্রযোজক যদি ডাকেন এবং গল্পসহ সবকিছু মিলে যায়, তবেই বড় পর্দায় কাজ করা সম্ভব। ভাগ্য বা কপালে থাকলে অবশ্যই সিনেমা হবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

একাধিক অভিনেতার সঙ্গে সম্পর্ক সুরভি জ্যোতির, যা বললেন অভিনেত্রী

সেই সময়টা খুব স্ট্রাগলিং এবং অপূর্ণ ইচ্ছা নিয়ে মুখ খুললেন তিশা

আপডেট সময় : ০১:০৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

অভিনয় জগতে আজ তিনি এক পরিচিত নাম। নাটক কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম—সবখানেই নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখে চলেছেন তাসনুভা তিশা। তবে পর্দায় যাকে দেখে দর্শক মুগ্ধ হন, সেই তিশার ছোটবেলার স্বপ্ন কিন্তু অভিনেত্রী হওয়া ছিল না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো এবং শৈশব-কৈশোরের অপূর্ণ ইচ্ছা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই তারকা।

শৈশবে তাসনুভা তিশার ইচ্ছা ছিল সংবাদ উপস্থাপিকা (নিউজ প্রেজেন্টার) হওয়ার। টেলিভিশনের পর্দায় নিচের স্ক্রলিং নিউজ দেখে তিনি জোরে জোরে পড়ার অনুশীলন করতেন এবং ভাবতেন যদি কখনো এই পেশায় আসতে পারতেন!

পরবর্তীতে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় দেশে এফএম রেডিওর চল শুরু হলে তার স্বপ্ন বদলায়। রেডিও ফুর্তি বা রেডিও টুডেতে আরজেদের কথা শুনে মুগ্ধ হয়ে তিনি আরজে হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। অভিনয়ে আসবেন বা এটিকে পেশা হিসেবে বেছে নেবেন, তা কখনোই ভাবেননি তিনি।

২০১৩ সালের দিকে একটি ম্যাগাজিন এবং শাড়ির ফটোশুটের মাধ্যমে তিশার মিডিয়া লাইফ শুরু হয়। আর এর পেছনে মূল অবদান ছিল তার প্রবাসী বান্ধবী আনমোলের। অনলাইন বুটিক ব্যবসার সূত্র ধরে আনমোলই তিশাকে জোর করে ক্যামেরার সামনে দাঁড় করিয়েছিলেন। প্রথম দিকে প্রচণ্ড নার্ভাস তিশা জানতেনই না কীভাবে পোজ দিতে হয়।

রাস্তায় বড় বড় বিলবোর্ড দেখে তিশারও ইচ্ছা জাগত মডেল হওয়ার। তবে গোলগাল চেহারার কারণে প্রথাগত মডেলিং তার জন্য নয় বুঝতে পেরে তিনি পরবর্তীতে অভিনয়ে মনোযোগ দেন।

আজকের অবস্থানে আসতে তিশাকে পার করতে হয়েছে এক কঠিন সময়। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, সেই সময়ে কাজের পাশাপাশি তাকে পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে হতো। জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার জন্য সেই পিরিয়ডটা তার জন্য ভীষণ স্ট্রাগলিং বা সংঘর্ষের ছিল।

চলচ্চিত্রে নিয়মিত হওয়া প্রসঙ্গে তিশা জানান, বড় পর্দায় ওভাবে এখনো তার কাজ করা হয়নি, তবে কিছু ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছেন। সিনেমায় কাজ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

“সিনোমা অনেক বড় বিষয়, হুট করে তো আর হয় না। আসলে আমার পরিকল্পনায় তো কিছু হবে না। বড় কোনো প্রোডাকশন হাউস, পরিচালক বা প্রযোজক যদি ডাকেন এবং গল্পসহ সবকিছু মিলে যায়, তবেই বড় পর্দায় কাজ করা সম্ভব। ভাগ্য বা কপালে থাকলে অবশ্যই সিনেমা হবে।”