ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হয়।

দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ শ্রদ্ধা নিবেদনে নেতৃত্ব দেন। পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও জিয়াউর রহমানের অবদান

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন এই রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তিনি পুরো জাতিকে সংগঠিত করেছিলেন। ফলে ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক ও শ্রমিকসহ সবাই মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তিনি রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই সময় দেশে এক ভয়াবহ অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। কিন্তু তিনি দায়িত্ব নিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। এছাড়া তিনি দেশে পুনরায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

পাঁচ দিনের বর্ণাঢ্য কর্মসূচি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিএনপি পাঁচ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির প্রথম দিনে ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী একযোগে এই পতাকা তোলা হয়।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এ সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন তারেক রহমান। সেখানে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী স্মরণে বিশেষ পোস্টারও প্রকাশ করা হবে।

পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

দলটি এবার পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি নিয়েছে। এর মধ্যে মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির নেতৃত্বে থাকবেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

একইভাবে সারাদেশের জেলা ও মহানগর ইউনিটগুলো বিশেষ সভা করবে। স্থানীয় সুবিধাজনক সময়ে তারা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর নানা কর্মসূচি পালন করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা

আপডেট সময় : ১১:১৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হয়।

দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ শ্রদ্ধা নিবেদনে নেতৃত্ব দেন। পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও জিয়াউর রহমানের অবদান

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন এই রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তিনি পুরো জাতিকে সংগঠিত করেছিলেন। ফলে ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক ও শ্রমিকসহ সবাই মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তিনি রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই সময় দেশে এক ভয়াবহ অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। কিন্তু তিনি দায়িত্ব নিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। এছাড়া তিনি দেশে পুনরায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

পাঁচ দিনের বর্ণাঢ্য কর্মসূচি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিএনপি পাঁচ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির প্রথম দিনে ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী একযোগে এই পতাকা তোলা হয়।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এ সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন তারেক রহমান। সেখানে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী স্মরণে বিশেষ পোস্টারও প্রকাশ করা হবে।

পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

দলটি এবার পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি নিয়েছে। এর মধ্যে মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির নেতৃত্বে থাকবেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

একইভাবে সারাদেশের জেলা ও মহানগর ইউনিটগুলো বিশেষ সভা করবে। স্থানীয় সুবিধাজনক সময়ে তারা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর নানা কর্মসূচি পালন করবে।