ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আয়কর রিটার্নে ৫% প্রণোদনা, শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর

আয়কর রিটার্নে ৫% প্রণোদনা, শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর

চলতি ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে করদাতাদের উৎসাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনা দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে শর্তসাপেক্ষে নিট প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ প্রণোদনা পাবেন করদাতারা। তবে এ সুবিধার আওতায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যাবে। সে হিসাবে প্রণোদনা সুবিধা পেতে করদাতাদের হাতে সময় রয়েছে আর মাত্র চারদিন।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা নিট প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাওয়ার যোগ্য হবেন। এর ফলে নির্ধারিত করের চেয়ে কিছুটা কম অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন তারা।

এনবিআরের নীতিমালা অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা এই সুবিধা পাবেন। তবে একজন করদাতার ক্ষেত্রে এ প্রণোদনার সর্বোচ্চ পরিমাণ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর মাসের পর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা বিশেষ এই প্রণোদনা পাবেন না। আর ডিসেম্বরের পর রিটার্ন দাখিল করলে বিদ্যমান আয়কর আইন অনুযায়ী বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত কর বা জরিমানাও পরিশোধ করতে হতে পারে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা আর্থিকভাবে সুবিধা পাবেন।

করসেবা সহজ করার লক্ষ্যে নতুন করবর্ষে সব স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এনবিআরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করদাতারা তাদের বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে পারবেন।

অনলাইনে কর পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড এবং বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। ই-রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যায় পড়লে সরকারি ছুটির দিন ছাড়া অফিস চলাকালীন সময়ে কল সেন্টারের ০৯৬৪৩৭১৭১৭১ নম্বরে যোগাযোগ করে সহায়তা নেওয়া যাবে।

সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে প্রায় ৪৭ লাখ করদাতা ই-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। নতুন করবর্ষে সব স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে পেপার রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ করদাতা, সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার পক্ষে প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক।

এ ছাড়া ই-রিটার্ন ব্যবস্থায় নিবন্ধনসংক্রান্ত সমস্যার কারণে যারা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে সক্ষম নন, তারা সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদন নিয়ে পেপার রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।

আয়কর রিটার্নে ৫% প্রণোদনা, শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর

আপডেট সময় : ১১:৪৩:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে করদাতাদের উৎসাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনা দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে শর্তসাপেক্ষে নিট প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ প্রণোদনা পাবেন করদাতারা। তবে এ সুবিধার আওতায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যাবে। সে হিসাবে প্রণোদনা সুবিধা পেতে করদাতাদের হাতে সময় রয়েছে আর মাত্র চারদিন।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা নিট প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাওয়ার যোগ্য হবেন। এর ফলে নির্ধারিত করের চেয়ে কিছুটা কম অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন তারা।

এনবিআরের নীতিমালা অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা এই সুবিধা পাবেন। তবে একজন করদাতার ক্ষেত্রে এ প্রণোদনার সর্বোচ্চ পরিমাণ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর মাসের পর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা বিশেষ এই প্রণোদনা পাবেন না। আর ডিসেম্বরের পর রিটার্ন দাখিল করলে বিদ্যমান আয়কর আইন অনুযায়ী বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত কর বা জরিমানাও পরিশোধ করতে হতে পারে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা আর্থিকভাবে সুবিধা পাবেন।

করসেবা সহজ করার লক্ষ্যে নতুন করবর্ষে সব স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এনবিআরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করদাতারা তাদের বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে পারবেন।

অনলাইনে কর পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড এবং বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। ই-রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যায় পড়লে সরকারি ছুটির দিন ছাড়া অফিস চলাকালীন সময়ে কল সেন্টারের ০৯৬৪৩৭১৭১৭১ নম্বরে যোগাযোগ করে সহায়তা নেওয়া যাবে।

সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে প্রায় ৪৭ লাখ করদাতা ই-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। নতুন করবর্ষে সব স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে পেপার রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ করদাতা, সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার পক্ষে প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক।

এ ছাড়া ই-রিটার্ন ব্যবস্থায় নিবন্ধনসংক্রান্ত সমস্যার কারণে যারা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে সক্ষম নন, তারা সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদন নিয়ে পেপার রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।