ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণায় ৪ লাখ ভারতীয় মুদ্রাসহ আটক ১

নেত্রকোণায় ৪ লাখ ভারতীয় মুদ্রাসহ আটক ১



ফটোকার্ড ডাউনলোড

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় খাটের নিচে রাখা পুঁটলি থেকে ৪ লাখ ৩ হাজার ভারতীয় রুপি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুলাল মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের ব্যাঙকোনা গ্রামে তার নিজ বসতঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। দুলাল মিয়া ওই গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুলাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার দেখানো মতে বসতঘরের খাটের নিচে রাখা একটি পুঁটলি থেকে ৫০০ রুপি মূল্যমানের ৮০৬টি ভারতীয় নোট উদ্ধার করা হয়। নোটগুলোর মোট মূল্য ৪ লাখ ৩ হাজার ভারতীয় রুপি।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভারতীয় রুপির মাধ্যমে সীমান্তে চোরাচালান চক্রের কার্যক্রমে সহায়তাকারীদের সঙ্গে দুলাল মিয়ার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

তবে জিজ্ঞাসাবাদে দুলাল মিয়া দাবি করেছেন, স্থানীয় গারো সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছ থেকে মাঝেমধ্যে অল্প অল্প করে রুপি কিনে জমিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ তার এ দাবি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় ৪ লাখ ভারতীয় মুদ্রাসহ আটক ১

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় খাটের নিচে রাখা পুঁটলি থেকে ৪ লাখ ৩ হাজার ভারতীয় রুপি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুলাল মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের ব্যাঙকোনা গ্রামে তার নিজ বসতঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। দুলাল মিয়া ওই গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুলাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার দেখানো মতে বসতঘরের খাটের নিচে রাখা একটি পুঁটলি থেকে ৫০০ রুপি মূল্যমানের ৮০৬টি ভারতীয় নোট উদ্ধার করা হয়। নোটগুলোর মোট মূল্য ৪ লাখ ৩ হাজার ভারতীয় রুপি।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভারতীয় রুপির মাধ্যমে সীমান্তে চোরাচালান চক্রের কার্যক্রমে সহায়তাকারীদের সঙ্গে দুলাল মিয়ার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

তবে জিজ্ঞাসাবাদে দুলাল মিয়া দাবি করেছেন, স্থানীয় গারো সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছ থেকে মাঝেমধ্যে অল্প অল্প করে রুপি কিনে জমিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ তার এ দাবি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।