চলতি বছরেই ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেয়েছেন আমির। সোমবার এপিএলে নাম রেজিস্টার করার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ক্রীড়া মহলে আলোচনা শুরু হয় যে, যেহেতু আইপিএলে সরাসরি পাকিস্তানি খেলোয়াড় বা নাগরিকদের খেলা নিষিদ্ধ, তাই আমির বোধ হয় ব্রিটিশ নাগরিকত্বের সুবাদেই বিশ্বের সবচেয়ে জমজমাট এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নাম লেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তবে এই গুঞ্জনকে বেশিক্ষণ ডালপালা মেলতে দেননি বাঁহাতি এই পেসার। নিজের ভেরিফায়েড এক্স (পূর্বের টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘সবাইকে হাই জানাচ্ছি, একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিতে চাই।
আইপিএল-সংক্রান্ত যে খবরগুলো ছড়াচ্ছে, তার কোনোটিই সত্যি নয়।’উল্লেখ্য, আমির তার স্ত্রী নার্জিস খানের সুবাদে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব অর্জন করেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত দ্য হান্ড্রেডের ড্রাফটে বিদেশি ক্যাটাগরিতে অবিক্রীত থাকলেও পরবর্তী সময়ে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে দল পেয়েছিলেন তিনি।
গত ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো আমির সে সময় পরিষ্কার করে বলেছিলেন, ‘আমি এখন স্থানীয় ব্রিটিশ।