নিউজ ডেস্ক: দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩৭ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট দেশের মোট বা গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭১ কোটি ১৩ লাখ ৩২ হাজার ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২৯ কোটি ৯ লাখ ২২ হাজার ডলার। অর্থাৎ, গ্রস হিসাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম৬ হিসাবে ৩২ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড রিজার্ভ ম্যানেজমেন্ট স্ট্যাটিস্টিকস (এফএআরএস) বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মুন্সি এ তথ্য জানিয়েছেন।
রিজার্ভের এই অবস্থান দেশের বৈদেশিক লেনদেন ও আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রপ্তানি আয়ের ওপর নির্ভর করে সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যে পরিবর্তন হচ্ছে, সর্বশেষ তথ্যেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
তবে রিজার্ভের প্রকৃত সক্ষমতা পরিমাপের ক্ষেত্রে বিপিএম৬ হিসাবকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। আইএমএফের নির্দেশিত এই পদ্ধতিতে ব্যবহারযোগ্য ও প্রকৃত বৈদেশিক সম্পদের হিসাব করা হয়। এ কারণে গ্রস রিজার্ভের পাশাপাশি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের অবস্থাও নিয়মিত প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কয়েক বছর ধরে চাপের মধ্যে ছিল। আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং বৈদেশিক লেনদেনে ঘাটতির কারণে রিজার্ভ কমে একপর্যায়ে ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল। পরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরায় রিজার্ভ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেই ধারাবাহিকতায় গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি এবং বিপিএম৬ হিসাবেও ৩২ বিলিয়ন ডলারের বেশি অবস্থানে রয়েছে।




















