ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালবাগ আমলীগোলা বালির মাঠ দখলের পাঁয়তারা



ফটোকার্ড ডাউনলোড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর লালবাগের ঐতিহ্যবাহী আমলীগোলা বালির মাঠটি জাল দলিলের মাধ্যমে পুরোপুরি দখল করার পাঁয়তারা করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। ইতিমধ্যে মাঠের কিছু অংশ দখল করে রাস্তা ও বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর একটি প্রতিনিধি দল মাঠটি পরিদর্শনে গেলে এই চিত্র উঠে আসে। পরিদর্শনকারী বাপার প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক জাভেদ জাহান, কেন্দ্রীয় সদস্য আশরাফ আমিরুল্লাহ, অ্যাডভোকেট পারভীন আক্তার, শেখ আনসার আলী, সাংবাদিক শোভন কমল এবং অ্যাডভোকেট তরুণ বেগি। এ সময় স্থানীয়দের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় রিয়াজ, কৃষ্টি পরিষদের সদস্যবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দেখতে পান, মাঠের একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে বেদখল হয়ে গেছে। সেখানে রাস্তা ও ঘরবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। তবে মাঠের বাকি অংশে স্থানীয় তরুণদের বেশ উৎসাহ নিয়ে খেলাধুলা করতে দেখা যায়।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একটি প্রভাবশালী মহল ভুয়া ও জাল দলিল তৈরি করে ঐতিহ্যবাহী এই মাঠটি সম্পূর্ণ গ্রাস করার চেষ্টা চালাচ্ছে। মাঠটি রক্ষা করতে তারা বাপার জরুরি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

স্থানীয়দের মতে, এখনই যথাযথ প্রক্রিয়ায় আইনি ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারলে এলাকার একমাত্র এই খেলার মাঠটি চিরতরে হারিয়ে যাবে। মাঠটি রক্ষায় বাপার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে প্রতিনিধি দলের সদস্য মিহির বিশ্বাস চার দফা কর্মপরিকল্পনার কথা জানান।

তিনি বলেন, বাপা মাঠ রক্ষায় স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলবে। তাদের প্রাথমিক পদক্ষেপ হবে, মাঠের মালিকানা, জাল দলিল সংক্রান্ত সব ধরনের কাগজপত্র সংগ্রহ করা। মাঠ রক্ষার কৌশল নির্ধারণে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা। মাঠ রক্ষার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসক ও ক্রীড়া মন্ত্রী বরাবর আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো। এবং সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আগেই এলাকায় বড় ধরনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করা। মিহির বিশ্বাস ঐতিহ্যবাহী এই খেলার মাঠ রক্ষার জন্য বাপা এবং স্থানীয় জনগণ রাজপথে যৌথ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

লালবাগ আমলীগোলা বালির মাঠ দখলের পাঁয়তারা

আপডেট সময় : ০৮:২১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর লালবাগের ঐতিহ্যবাহী আমলীগোলা বালির মাঠটি জাল দলিলের মাধ্যমে পুরোপুরি দখল করার পাঁয়তারা করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। ইতিমধ্যে মাঠের কিছু অংশ দখল করে রাস্তা ও বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর একটি প্রতিনিধি দল মাঠটি পরিদর্শনে গেলে এই চিত্র উঠে আসে। পরিদর্শনকারী বাপার প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক জাভেদ জাহান, কেন্দ্রীয় সদস্য আশরাফ আমিরুল্লাহ, অ্যাডভোকেট পারভীন আক্তার, শেখ আনসার আলী, সাংবাদিক শোভন কমল এবং অ্যাডভোকেট তরুণ বেগি। এ সময় স্থানীয়দের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় রিয়াজ, কৃষ্টি পরিষদের সদস্যবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দেখতে পান, মাঠের একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে বেদখল হয়ে গেছে। সেখানে রাস্তা ও ঘরবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। তবে মাঠের বাকি অংশে স্থানীয় তরুণদের বেশ উৎসাহ নিয়ে খেলাধুলা করতে দেখা যায়।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একটি প্রভাবশালী মহল ভুয়া ও জাল দলিল তৈরি করে ঐতিহ্যবাহী এই মাঠটি সম্পূর্ণ গ্রাস করার চেষ্টা চালাচ্ছে। মাঠটি রক্ষা করতে তারা বাপার জরুরি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

স্থানীয়দের মতে, এখনই যথাযথ প্রক্রিয়ায় আইনি ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারলে এলাকার একমাত্র এই খেলার মাঠটি চিরতরে হারিয়ে যাবে। মাঠটি রক্ষায় বাপার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে প্রতিনিধি দলের সদস্য মিহির বিশ্বাস চার দফা কর্মপরিকল্পনার কথা জানান।

তিনি বলেন, বাপা মাঠ রক্ষায় স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলবে। তাদের প্রাথমিক পদক্ষেপ হবে, মাঠের মালিকানা, জাল দলিল সংক্রান্ত সব ধরনের কাগজপত্র সংগ্রহ করা। মাঠ রক্ষার কৌশল নির্ধারণে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা। মাঠ রক্ষার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসক ও ক্রীড়া মন্ত্রী বরাবর আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো। এবং সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আগেই এলাকায় বড় ধরনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করা। মিহির বিশ্বাস ঐতিহ্যবাহী এই খেলার মাঠ রক্ষার জন্য বাপা এবং স্থানীয় জনগণ রাজপথে যৌথ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।