ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক পোর্টালেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স: বাণিজ্যমন্ত্রী

এক পোর্টালেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স: বাণিজ্যমন্ত্রী



ফটোকার্ড ডাউনলোড

ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজ করতে একক অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান এবং সমন্বিত পরিদর্শন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন ও নিরাপত্তা ছাড়পত্র নবায়নে দীর্ঘসূত্রতা এবং হয়রানি কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ের অর্থ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স অন ডিরেগুলেশন অ্যান্ড বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন’-এর প্রথম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে পৃথক ব্যবস্থায় ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়। এ প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত অনলাইন পোর্টালের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা, আবেদন ও ফি পরিশোধ করে ঘরে বসেই ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়ানো এবং এর নাম ‘বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট’ বা সমজাতীয় কিছু করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন ও নিরাপত্তা ছাড়পত্র নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৈধ ও নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ করা বিদেশি কর্মীদের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক জটিলতা গ্রহণযোগ্য নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ভোগান্তি কমাতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর নেতৃত্বে যৌথ পরিদর্শন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় ভবন নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা ও পরিবেশগত বিষয়সহ একাধিক সংস্থার পরিদর্শন একই দিনে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে বারবার পরিদর্শনের প্রয়োজন কমবে এবং ব্যবসায়ীদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সভায় জানানো হয়, ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত অনুমোদন, পারমিট ও লাইসেন্স প্রদানের দীর্ঘসূত্রতা এবং বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রমে দ্বৈততা কমাতে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য খাতেও এ উদ্যোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী দল জুলাইকে ধারণ করে না : প্রধানমন্ত্রী

এক পোর্টালেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজ করতে একক অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান এবং সমন্বিত পরিদর্শন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন ও নিরাপত্তা ছাড়পত্র নবায়নে দীর্ঘসূত্রতা এবং হয়রানি কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ের অর্থ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স অন ডিরেগুলেশন অ্যান্ড বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন’-এর প্রথম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে পৃথক ব্যবস্থায় ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়। এ প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত অনলাইন পোর্টালের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা, আবেদন ও ফি পরিশোধ করে ঘরে বসেই ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়ানো এবং এর নাম ‘বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট’ বা সমজাতীয় কিছু করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন ও নিরাপত্তা ছাড়পত্র নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৈধ ও নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ করা বিদেশি কর্মীদের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক জটিলতা গ্রহণযোগ্য নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ভোগান্তি কমাতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর নেতৃত্বে যৌথ পরিদর্শন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় ভবন নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা ও পরিবেশগত বিষয়সহ একাধিক সংস্থার পরিদর্শন একই দিনে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে বারবার পরিদর্শনের প্রয়োজন কমবে এবং ব্যবসায়ীদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সভায় জানানো হয়, ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত অনুমোদন, পারমিট ও লাইসেন্স প্রদানের দীর্ঘসূত্রতা এবং বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রমে দ্বৈততা কমাতে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য খাতেও এ উদ্যোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।