ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছিল: মির্জা ফখরুল

সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় : এলজিআরডি মন্ত্রী

দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর আঘাত হানতে এবং সেনাবাহিনীর মনোবল গুঁড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানী সামরিক কবরস্থানে বিডিআর বিদ্রোহে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭তম বার্ষিকী তথা জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মন্ত্রী। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭২ জন নিরপরাধ মানুষকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই দিনটি জাতি হিসেবে আমাদের জন্য চরম লজ্জা ও গভীর কলঙ্কজনক একটি অধ্যায়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, পিলখানার এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পেছনে বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ধসিয়ে দেওয়ার এক গভীর চক্রান্ত কাজ করেছিল। তিনি মনে করেন, একসঙ্গে এতজন দক্ষ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার মূল উদ্দেশ্য ছিল সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া। তবে দেশের আপামর জনগণ স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষায় সবসময় ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ায় বিএনপি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আরও সুসংহত করার সুযোগ পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন এলজিআরডি মন্ত্রী। তিনি জানান, বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।

একইসঙ্গে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের একটি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, এই জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছিল: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ১০:২৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর আঘাত হানতে এবং সেনাবাহিনীর মনোবল গুঁড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানী সামরিক কবরস্থানে বিডিআর বিদ্রোহে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭তম বার্ষিকী তথা জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মন্ত্রী। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭২ জন নিরপরাধ মানুষকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই দিনটি জাতি হিসেবে আমাদের জন্য চরম লজ্জা ও গভীর কলঙ্কজনক একটি অধ্যায়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, পিলখানার এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পেছনে বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ধসিয়ে দেওয়ার এক গভীর চক্রান্ত কাজ করেছিল। তিনি মনে করেন, একসঙ্গে এতজন দক্ষ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার মূল উদ্দেশ্য ছিল সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া। তবে দেশের আপামর জনগণ স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষায় সবসময় ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ায় বিএনপি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আরও সুসংহত করার সুযোগ পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন এলজিআরডি মন্ত্রী। তিনি জানান, বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।

একইসঙ্গে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের একটি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, এই জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।