প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাজবাড়ীর পাংশায় পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
আজ বুধবার সচিবালয় কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
একনেক সভা শেষে এ তথ্য জানিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘এ প্রকল্পের সাথে দেশের তিনভাগের এক ভাগ অঞ্চল, ২৪টি জেলার ৭ কোটি মানুষ উপকারভোগী হবে। জনস্বার্থে জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় প্রকল্পটি আজ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের মানুষ উপকার পাবে।’
তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধের কারণে ব্যাপক খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়, পদ্মার সঙ্গে জড়িত নদীগুলো শুকিয়ে যায়, লবনাক্ততা ও জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এসব দিক বিবেচনা করে এটিকে মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প বলা হয়। এটি আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী সমাবেশে এ অঙ্গীকার করেছেন।’
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার মূল বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে ২৯০ কোটি ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা যাবে। এ ছাড়া ১১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী সংরক্ষিত পানি দিয়ে পাঁচটি নদীর পানিপ্রবাহ পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে। শুষ্ক মৌসুমে এসব নদীতে প্রায় ৮০০ কিউসেক মিটার পানি সরবরাহ করা যাবে বলে প্রকল্প পরিকল্পনায় বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছিল। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পটির নকশা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করে।


























