ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের আইআরজিসি’র

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের আইআরজিসি'র

কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে দেশটির এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরানের ভাষ্যমতে, ওয়াশিংটনের সামরিক অবস্থান ধ্বংস করাই ছিল এই আক্রমণের মূল লক্ষ্য।

নাসর ২ অভিযানের অষ্টম তরঙ্গ

আইআরজিসি’র প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি অনুযায়ী, চলমান ‘নাসর ২’ সামরিক অভিযানের অষ্টম তরঙ্গের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। এতে মার্কিন বাহিনীর একটি সি-র‍্যাম আগাম সতর্কবার্তা রাডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। পাশাপাশি, সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সৈন্যদের একটি প্রধান সমাবেশস্থলেও সরাসরি আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।

সেন্টকমের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক কমান্ড সেন্টকমের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের দাবি, ইরানের মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ চালাতে মার্কিন প্রশাসন কুয়েতের ভূমিকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে। ফলে এই ইস্যুতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

কুয়েতি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান

এই পরিস্থিতিতে কুয়েতের সাধারণ নাগরিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে ইরান। নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে দেশ থেকে সমস্ত মার্কিন সৈন্য ও সামরিক উপস্থিতি সম্পূর্ণভাবে অপসারণের দাবি তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। উপরন্তু, তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই সংঘাত চলমান থাকবে যতক্ষণ না মার্কিন সামরিক তৎপরতা বন্ধ হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের আইআরজিসি’র

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের আইআরজিসি’র

আপডেট সময় : ১২:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে দেশটির এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরানের ভাষ্যমতে, ওয়াশিংটনের সামরিক অবস্থান ধ্বংস করাই ছিল এই আক্রমণের মূল লক্ষ্য।

নাসর ২ অভিযানের অষ্টম তরঙ্গ

আইআরজিসি’র প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি অনুযায়ী, চলমান ‘নাসর ২’ সামরিক অভিযানের অষ্টম তরঙ্গের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। এতে মার্কিন বাহিনীর একটি সি-র‍্যাম আগাম সতর্কবার্তা রাডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। পাশাপাশি, সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সৈন্যদের একটি প্রধান সমাবেশস্থলেও সরাসরি আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।

সেন্টকমের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক কমান্ড সেন্টকমের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের দাবি, ইরানের মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ চালাতে মার্কিন প্রশাসন কুয়েতের ভূমিকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে। ফলে এই ইস্যুতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

কুয়েতি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান

এই পরিস্থিতিতে কুয়েতের সাধারণ নাগরিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে ইরান। নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে দেশ থেকে সমস্ত মার্কিন সৈন্য ও সামরিক উপস্থিতি সম্পূর্ণভাবে অপসারণের দাবি তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। উপরন্তু, তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই সংঘাত চলমান থাকবে যতক্ষণ না মার্কিন সামরিক তৎপরতা বন্ধ হয়।