ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের মধ্যেও বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে ইরান

যুদ্ধের মধ্যেও বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে ইরান

নিজ দেশে যুদ্ধকালীন কঠিন পরিস্থিতি সত্ত্বেও বাংলাদেশের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান দূতাবাস। ঢাকায় অবস্থিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাস এই মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে। সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর জন্য তারা জরুরি খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে।

যেভাবে এলো ত্রাণ সহায়তা

দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, একক প্রচেষ্টায় নয়, বরং অন্যান্য মুসলিম দেশের দূতাবাসগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে তারা এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে সহায়তার পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।

পাঠানো ত্রাণসামগ্রীর তালিকায় রয়েছে চাল, চিনি ও বিশুদ্ধ খাবার পানির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এছাড়া বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দূতাবাস।

দুই দেশের সম্পর্কের প্রতিফলন

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি বছরের এপ্রিলে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকালে বাংলাদেশও পাশে দাঁড়িয়েছিল ইরানের। তখন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে ঢাকাস্থ ইরানি দূতাবাসে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়েছিল। সে সময় ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন।

তাই বর্তমান বন্যা পরিস্থিতিতে ইরানের এই সহায়তাকে অনেকে পাল্টা মানবিক প্রতিদান হিসেবেও দেখছেন। এটি মূলত দুই দেশের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা

নিজ দেশে যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা মোকাবিলা করেও ইরান এই মানবিক সহায়তায় অংশ নিয়েছে। ফলে তাদের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি অনেকেই এই পদক্ষেপকে প্রশংসাও করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে নতুন ঝুঁকিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুদ্ধের মধ্যেও বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে ইরান

আপডেট সময় : ১১:৪৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নিজ দেশে যুদ্ধকালীন কঠিন পরিস্থিতি সত্ত্বেও বাংলাদেশের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান দূতাবাস। ঢাকায় অবস্থিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাস এই মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে। সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর জন্য তারা জরুরি খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে।

যেভাবে এলো ত্রাণ সহায়তা

দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, একক প্রচেষ্টায় নয়, বরং অন্যান্য মুসলিম দেশের দূতাবাসগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে তারা এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে সহায়তার পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।

পাঠানো ত্রাণসামগ্রীর তালিকায় রয়েছে চাল, চিনি ও বিশুদ্ধ খাবার পানির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এছাড়া বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দূতাবাস।

দুই দেশের সম্পর্কের প্রতিফলন

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি বছরের এপ্রিলে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকালে বাংলাদেশও পাশে দাঁড়িয়েছিল ইরানের। তখন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে ঢাকাস্থ ইরানি দূতাবাসে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়েছিল। সে সময় ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন।

তাই বর্তমান বন্যা পরিস্থিতিতে ইরানের এই সহায়তাকে অনেকে পাল্টা মানবিক প্রতিদান হিসেবেও দেখছেন। এটি মূলত দুই দেশের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা

নিজ দেশে যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা মোকাবিলা করেও ইরান এই মানবিক সহায়তায় অংশ নিয়েছে। ফলে তাদের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি অনেকেই এই পদক্ষেপকে প্রশংসাও করছেন।