ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উৎপাদনে ফিরলো রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

উৎপাদনে ফিরলো রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

ম.ম.রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট: যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। ফলে রোববার দুপুর থেকে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে।

বন্ধের পর পুনরায় সচল

গত ১৩ সেপ্টেম্বর হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর প্রকৌশলীরা টানা আট দিন কাজ করে ত্রুটি দূর করেন।

অবশেষে রোববার দুপুর ১২টায় ইউনিটটি আবার চালু করা হয়। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বাভাবিক গতি ফিরে এসেছে।

উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি

বর্তমানে এই ইউনিট থেকে ৩৬৮.৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদা বাড়লে উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি চালু হওয়ায় লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

পিডিবি ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এখন থেকে চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও ভবিষ্যত ভাবনা

তবে বারবার এমন যান্ত্রিক ত্রুটি হওয়ায় জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, মেগা প্রকল্পগুলোতে বারবার কেন স্থবিরতা আসছে তা খতিয়ে দেখা দরকার।

এছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত বিপর্যয় এড়াতে নিয়মিত কড়া রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।

পাশাপাশি সচেতন মহল কেন্দ্রটির পরিচালনা কর্তৃপক্ষকে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। কয়লার পর্যাপ্ত মজুদ থাকলে দুটি ইউনিটই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে।

উৎপাদনে ফিরলো রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

আপডেট সময় : ০১:০৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ম.ম.রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট: যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। ফলে রোববার দুপুর থেকে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে।

বন্ধের পর পুনরায় সচল

গত ১৩ সেপ্টেম্বর হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর প্রকৌশলীরা টানা আট দিন কাজ করে ত্রুটি দূর করেন।

অবশেষে রোববার দুপুর ১২টায় ইউনিটটি আবার চালু করা হয়। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বাভাবিক গতি ফিরে এসেছে।

উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি

বর্তমানে এই ইউনিট থেকে ৩৬৮.৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদা বাড়লে উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি চালু হওয়ায় লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

পিডিবি ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এখন থেকে চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও ভবিষ্যত ভাবনা

তবে বারবার এমন যান্ত্রিক ত্রুটি হওয়ায় জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, মেগা প্রকল্পগুলোতে বারবার কেন স্থবিরতা আসছে তা খতিয়ে দেখা দরকার।

এছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত বিপর্যয় এড়াতে নিয়মিত কড়া রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।

পাশাপাশি সচেতন মহল কেন্দ্রটির পরিচালনা কর্তৃপক্ষকে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। কয়লার পর্যাপ্ত মজুদ থাকলে দুটি ইউনিটই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে।