পোশাক খাতের রপ্তানি বাণিজ্য দ্রুত ও সাশ্রয়ী করতে জোর দেওয়া হচ্ছে। এজন্য মোংলা বন্দর ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিকেএমইএ ও বন্দর কর্তৃপক্ষ।
গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকার বিকেএমইএ কার্যালয়ে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ শীর্ষ নেতারা বৈঠকে অংশ নেন।
শিপমেন্ট জটিলতা দূর করার আশ্বাস
বৈঠকে মোংলা বন্দর ব্যবহারে পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। একই সাথে বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং তা সমাধানের পথ খোঁজা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত চাপ কমানো এখন জরুরি। ফলে বিকল্প হিসেবে মোংলা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বন্দর চেয়ারম্যান জানান, ব্যবসায়ীরা এই রুট বেছে নিলে সব ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে। পণ্য খালাস ও জাহাজীকরণে বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করবে। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও বিলম্ব এড়াতে কঠোর নজরদারির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
সাপ্লাই চেইনে নতুন গতি ও সুযোগ
বৈঠকে মোংলা বন্দরের হারবার, মেরিন ও ট্রাফিক বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিকেএমইএ নেতারা বন্দর কর্তৃপক্ষের এই ইতিবাচক মনোভাবকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি তারা বন্দর ব্যবহারের জন্য কিছু বাস্তবভিত্তিক প্রস্তাব তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নিয়মিত নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি শুরু হলে সাপ্লাই চেইনে বড় পরিবর্তন আসবে। এর ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লজিস্টিক নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হবে।
পরিশেষে, এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিশ্ববাজারে নিটওয়্যার খাতের অবস্থান সুদৃঢ় করবে। ফলে দেশের পোশাক শিল্পের দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত হবে।



























