ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের টাকা দেবে ডিএসই

পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের টাকা দেবে ডিএসই

খেলাপি পাঁচ ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ১৭ হাজার ৩৩২ ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীকে ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড থেকে ৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু করবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণ শুরু হবে।

মঙ্গলবার ঢাকার নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম।

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা পাঁচটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-মশিহর সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ, শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড এবং ব্যাংকো সিকিউরিটিজ। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ২৫০ কোটি টাকার বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, যাচাই করা দাবির বিপরীতে প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাবেন।

মমিনুল ইসলাম বলেন, পুরো অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে দুই মাসের কিছু বেশি সময় লাগবে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের আশ্বস্ত করে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, ভবিষ্যতে কোনো ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান যাতে খেলাপি হতে না পারে, সে জন্য নিয়ন্ত্রক তদারকি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এসব ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীদের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় চারটি মামলা বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তাধীন। আর একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এ সময় ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার এবং আইপিএফের চেয়ারম্যান নারসিন বেগম উপস্থিত ছিলেন।

পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের টাকা দেবে ডিএসই

আপডেট সময় : ০৩:৩১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খেলাপি পাঁচ ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ১৭ হাজার ৩৩২ ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীকে ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড থেকে ৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু করবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণ শুরু হবে।

মঙ্গলবার ঢাকার নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম।

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা পাঁচটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-মশিহর সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ, শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড এবং ব্যাংকো সিকিউরিটিজ। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ২৫০ কোটি টাকার বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, যাচাই করা দাবির বিপরীতে প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাবেন।

মমিনুল ইসলাম বলেন, পুরো অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে দুই মাসের কিছু বেশি সময় লাগবে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের আশ্বস্ত করে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, ভবিষ্যতে কোনো ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান যাতে খেলাপি হতে না পারে, সে জন্য নিয়ন্ত্রক তদারকি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এসব ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীদের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় চারটি মামলা বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তাধীন। আর একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এ সময় ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার এবং আইপিএফের চেয়ারম্যান নারসিন বেগম উপস্থিত ছিলেন।