নিউজ ডেস্ক: তিস্তা নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের মূল ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ শুরুর আগে নতুন করে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর ফলে ২০২৭ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু করার পূর্ব প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী নির্মাণকাজ ২০২৯ সালে গড়াতে পারে। চার বছর মেয়াদি এই অন্তর্বর্তীকালীন সমীক্ষা শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৮ সালের মার্চ। আজ রোববার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডব্লিউডিবি) প্রস্তাব অনুযায়ী, নিজস্ব অর্থায়নে ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে কারিগরি সমীক্ষাটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত হবে। এই সমীক্ষার প্রতিবেদন জমার পর প্রকল্পের জন্য নতুন করে মূল প্রস্তাব প্রস্তুত করা হবে। অথচ ইতিপূর্বে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে পরিকল্পনা তুলে ধরে চলতি বছরে চূড়ান্ত অনুমোদন ও ২০২৭ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা জানানো হয়েছিল।
সমীক্ষাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের আগে চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সবুজ পাতায় অননুমোদিত প্রকল্পের তালিকায় তা অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকল্পটি এডিপিতে যুক্ত হওয়ার পর অনুমোদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। নতুন এই কারিগরি সমীক্ষার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এতে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন।
তিস্তা নদী অববাহিকার সমন্বিত ও টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পটি নিয়ে এক দশকের বেশি সময় ধরে প্রক্রিয়া চললেও ভূরাজনৈতিক সংবেদনশীলতা ও অর্থায়ন জটিলতায় বাস্তবায়ন বার বার পিছিয়ে যায়। ২০১৬ সালে চীনা প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি সমীক্ষা প্রতিবেদন দেয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ভারতও এতে অর্থায়নের আগ্রহ দেখায়। এছাড়া পরিকল্পনা কমিশন ২০২৫ সালের ৩০ জুন প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের নীতিগত অনুমোদন দিলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ৭৪৭ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের একটি প্রস্তাব বেইজিংয়ে পাঠায়, যার মধ্যে ৫৫০ দশমিক ৬২ মিলিয়ন ডলার চীনা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
প্রস্তাবিত নতুন সমীক্ষায় নদীর রূপতত্ত্ব, নদীভাঙন রোধ ও পলি ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়ে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা অববাহিকায় দুটি ধাপে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রথম ধাপে বিশ্লেষণাত্মক গবেষণার মাধ্যমে বন্যা ও পানি সংকটের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে টেকসই সেচ রূপরেখা তৈরি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ফিজিক্যাল মডেলিংয়ের আওতায় স্কেলভিত্তিক হাইড্রোলিক মডেলের মাধ্যমে নদীর গতিপ্রকৃতি, নদীশাসন, ড্রেজিং ও তিস্তা ব্যারাজের প্রভাব যাচাই করা হবে। এই সমীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি নকশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাড়ে ৭ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ সম্প্রসারণ এবং এক কোটির বেশি মানুষকে বন্যা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।িনি
তিস্তা নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের মূল ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ শুরুর আগে নতুন করে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর ফলে ২০২৭ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু করার পূর্ব প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী নির্মাণকাজ ২০২৯ সালে গড়াতে পারে। চার বছর মেয়াদি এই অন্তর্বর্তীকালীন সমীক্ষা শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৮ সালের মার্চ। আজ রোববার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডব্লিউডিবি) প্রস্তাব অনুযায়ী, নিজস্ব অর্থায়নে ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে কারিগরি সমীক্ষাটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত হবে। এই সমীক্ষার প্রতিবেদন জমার পর প্রকল্পের জন্য নতুন করে মূল প্রস্তাব প্রস্তুত করা হবে। অথচ ইতিপূর্বে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে পরিকল্পনা তুলে ধরে চলতি বছরে চূড়ান্ত অনুমোদন ও ২০২৭ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা জানানো হয়েছিল।
সমীক্ষাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের আগে চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সবুজ পাতায় অননুমোদিত প্রকল্পের তালিকায় তা অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকল্পটি এডিপিতে যুক্ত হওয়ার পর অনুমোদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। নতুন এই কারিগরি সমীক্ষার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এতে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন।
তিস্তা নদী অববাহিকার সমন্বিত ও টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পটি নিয়ে এক দশকের বেশি সময় ধরে প্রক্রিয়া চললেও ভূরাজনৈতিক সংবেদনশীলতা ও অর্থায়ন জটিলতায় বাস্তবায়ন বার বার পিছিয়ে যায়। ২০১৬ সালে চীনা প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি সমীক্ষা প্রতিবেদন দেয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ভারতও এতে অর্থায়নের আগ্রহ দেখায়। এছাড়া পরিকল্পনা কমিশন ২০২৫ সালের ৩০ জুন প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের নীতিগত অনুমোদন দিলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ৭৪৭ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের একটি প্রস্তাব বেইজিংয়ে পাঠায়, যার মধ্যে ৫৫০ দশমিক ৬২ মিলিয়ন ডলার চীনা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
প্রস্তাবিত নতুন সমীক্ষায় নদীর রূপতত্ত্ব, নদীভাঙন রোধ ও পলি ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়ে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা অববাহিকায় দুটি ধাপে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রথম ধাপে বিশ্লেষণাত্মক গবেষণার মাধ্যমে বন্যা ও পানি সংকটের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে টেকসই সেচ রূপরেখা তৈরি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ফিজিক্যাল মডেলিংয়ের আওতায় স্কেলভিত্তিক হাইড্রোলিক মডেলের মাধ্যমে নদীর গতিপ্রকৃতি, নদীশাসন, ড্রেজিং ও তিস্তা ব্যারাজের প্রভাব যাচাই করা হবে। এই সমীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি নকশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাড়ে ৭ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ সম্প্রসারণ এবং এক কোটির বেশি মানুষকে বন্যা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।




















