জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে দেড় হাজার ইসরাইল দখলদার ঢুকে পড়েছেন। ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনে এই ঘটনা ঘটেছে। এরপর ইসরাইল দখলদার কর্তৃপক্ষ আল-মাগারিবা ফটক বন্ধ করে দিয়েছে। এই ফটক ডাং গেট নামেও পরিচিত।
জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, দখলদাররা দলে দলে মাগারিবা ফটক দিয়ে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকেছেন। দখলদার পুলিশ তাদের কড়া পাহারা দিয়েছে।
দখলদাররা মসজিদের প্রাঙ্গণে তালমুদীয় রীতি পালন করেছেন এবং প্রার্থনা করেছেন। বিশেষ করে মসজিদের একটি প্রবেশপথ আল-কাত্তানিন ফটকের কাছে এসব হয়েছে। একই সময়ে তথাকথিত ‘উদ্ভিদ নৈবেদ্য’ প্রাঙ্গণে আনা হয়েছে।
দখলদার বাহিনী আল-কাত্তানিন বাজারের কয়েকটি দোকানের মালিককে দোকান বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। এই বাজার আল-আকসার দিকে গেছে। বাজারের ভেতরেও দখলদাররা তালমুদীয় রীতি পালন করেছেন। তখন পুরোনো শহরে সাধারণ মানুষের চলাচলে কড়াকড়ি আরও বাড়ানো হয়েছিল।
মসজিদের বাইরের একটি ফটক আল-হুত্তা ফটক। এর বাইরেও দখলদাররা প্রার্থনা করেছেন। সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনেও এই অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় আচার চলতে থাকে।
আল-আকসা মসজিদ ও পুরোনো শহরের আশপাশে দখলদার কর্তৃপক্ষ সামরিক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। মুসল্লিদের প্রবেশ ও চলাচলেও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। জেরুজালেম গভর্নরেটের মতে, এসব পদক্ষেপ নতুন বাস্তবতা তৈরির চেষ্টার অংশ।
এর মাধ্যমে ঐতিহাসিক আইন বদলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। লক্ষ্য হলো ওই স্থানের নিয়ন্ত্রণ পাকাপোক্ত করা এবং সময় ও স্থান ভাগ করে দেওয়া।
আল আকসা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম তীর্থস্থান। ইহুদিরা কাছে এই জায়গাটিকে বলে ‘টেম্পল মাউন্ট’, তাদের দাবি এই জায়গাতে তাদের পূর্বের ২ ইহুদি মন্দিরের অবস্থান ছিল।




















