ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘কাশ্মীর স্টাইলে দিল্লিতে আন্দোলন ঠেকাতে চাইছে মোদি সরকার’

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তার দাবি, জম্মু-কাশ্মীরে যে পদ্ধতিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হতো, এবার সেই ‘কাশ্মীর মডেল’ দিল্লিতেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে নিরাপত্তা জোরদার এবং মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভ ঘিরে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে মধ্য দিল্লির চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড বসানো এবং মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

ওমর আবদুল্লাহর জানান, বিক্ষোভ মোকাবিলায় এ ধরনের কঠোর বিধিনিষেধ নাগরিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। জম্মু-কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি দিল্লিতে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার সমালোচনা করেন।

সিজেপির এই কর্মসূচির মূল দাবি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যে দলটি এ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিপুলসংখ্যক মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘কাশ্মীর স্টাইলে দিল্লিতে আন্দোলন ঠেকাতে চাইছে মোদি সরকার’

আপডেট সময় : ১০:৫৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তার দাবি, জম্মু-কাশ্মীরে যে পদ্ধতিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হতো, এবার সেই ‘কাশ্মীর মডেল’ দিল্লিতেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে নিরাপত্তা জোরদার এবং মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভ ঘিরে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে মধ্য দিল্লির চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড বসানো এবং মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

ওমর আবদুল্লাহর জানান, বিক্ষোভ মোকাবিলায় এ ধরনের কঠোর বিধিনিষেধ নাগরিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। জম্মু-কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি দিল্লিতে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার সমালোচনা করেন।

সিজেপির এই কর্মসূচির মূল দাবি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যে দলটি এ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিপুলসংখ্যক মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে।